ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পঞ্চগড়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান — ৫ হাজার টাকা জরিমানা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

পঞ্চগড় জেলা শহরের এম.আর. কলেজ রোডে অবস্থিত “ডক্টর প্যাথলজি অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজী।

অভিযানে অংশ নেন পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস নিতু, পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন খালিদ হোসেনসহ সেনা সদস্যরা এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ল্যাব টেকনোলজিস্টের পরিবর্তে অদক্ষ টেকনিশিয়ানদের দিয়ে বিভিন্ন মেডিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছিল। এমনকি যেসব মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলোর অনেকের ক্রয়ের সময়কার সিরিয়াল নম্বর পর্যন্ত সঠিকভাবে নথিভুক্ত ছিল না।

অভিযানে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি যন্ত্রে কার্যকরী ত্রুটি রয়েছে, যা রোগ নির্ণয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও এসব ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্র ব্যবহার করে সেবাগ্রহণকারীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার৷ 

সেন্টারের মালিককে তাৎক্ষণিকভাবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহন মিনজী বলেন,চিকিৎসা একটি সংবেদনশীল খাত। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে। তাই আমরা নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি এবং ভবিষ্যতেও করব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

পঞ্চগড়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান — ৫ হাজার টাকা জরিমানা

০৮:০১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

পঞ্চগড় জেলা শহরের এম.আর. কলেজ রোডে অবস্থিত “ডক্টর প্যাথলজি অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজী।

অভিযানে অংশ নেন পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস নিতু, পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন খালিদ হোসেনসহ সেনা সদস্যরা এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ল্যাব টেকনোলজিস্টের পরিবর্তে অদক্ষ টেকনিশিয়ানদের দিয়ে বিভিন্ন মেডিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছিল। এমনকি যেসব মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলোর অনেকের ক্রয়ের সময়কার সিরিয়াল নম্বর পর্যন্ত সঠিকভাবে নথিভুক্ত ছিল না।

অভিযানে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি যন্ত্রে কার্যকরী ত্রুটি রয়েছে, যা রোগ নির্ণয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও এসব ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্র ব্যবহার করে সেবাগ্রহণকারীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার৷ 

সেন্টারের মালিককে তাৎক্ষণিকভাবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহন মিনজী বলেন,চিকিৎসা একটি সংবেদনশীল খাত। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হতে পারে। তাই আমরা নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি এবং ভবিষ্যতেও করব।