ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

কয়রার ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাটি ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ -৫ পেয়েছে সাঈমা সিদ্দিকী

‌ষ্টাফ রিপোর্টার মোক্তার হোসেন।

দক্ষিণ খুলনার কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাটি ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা থেকে সাঈমা সিদ্দিকী মুক্তা এবারের ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষায় জি পি এ- ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ।তার এই সাফল্যে পুরো পরিবার আত্মীয়স্বজন,প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা, ও প্রতিবেশিরা উচ্ছ্বসিত।
জিপিএ-৫ পাওয়ায় সাঈমার বাবা মোক্তার হোসেন বলেন, আমার মেয়ে এবার দাখিল পরীক্ষায় জিপি ৫ পেয়েছে। তার এই সাফল্যে আমি অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত। আমার মেয়ের এই সাফল্যের জন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের
অবদানকে সম্মান জানাই। তার ছোট্ট জীবনের প্রথম সাফল্য আমাকে আনন্দ দিচ্ছে।যেদিন থেকে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ জানতে পেল সেদিন থেকে আমার মেয়ে বার বার আমাকে বলেন ,আব্বু আমার জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের মনের আশা পূরণ করতে পারি। আজ তার সেই
প্রত্যাশিত আশাটি মহান রাব্বুল আলামীন আশা পূর্ণ করেছে। এখানে ফলাফলের সব কৃতিত্ব তার শিক্ষকদের। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমার মেয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ সেবায় ব্রত হয়ে দেশের অসহায় ও মেহনতি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে। আমার স্বপ্ন ভবিষ্যতে মেয়েকে ডাক্তার হিসেবে দেখতে।
সাঈমা সিদ্দিকী মুক্তা বলেন, আমি আমার সাফল্যের কৃতিত্ব বাবা-মা, পরিবার এবং আমার শিক্ষকদের। সাথে ছিলো আপনাদের সকলের দোয়া এবং ভালোবাসা। আমার স্বপ্ন-ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়া । এই মহৎ অবস্থানের প্রতি আমার স্বপ্ন যদি কোনো দিন বাস্তবে পরিণত হয়, তাহলে আমি বাংলাদেশের অসহায় মানুষের সেবা মান উন্নয়নে অনেক কিছু করবো।

মোক্তার হোসেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

কয়রার ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাটি ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ -৫ পেয়েছে সাঈমা সিদ্দিকী

০৯:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

‌ষ্টাফ রিপোর্টার মোক্তার হোসেন।

দক্ষিণ খুলনার কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাটি ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা থেকে সাঈমা সিদ্দিকী মুক্তা এবারের ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষায় জি পি এ- ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ।তার এই সাফল্যে পুরো পরিবার আত্মীয়স্বজন,প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা, ও প্রতিবেশিরা উচ্ছ্বসিত।
জিপিএ-৫ পাওয়ায় সাঈমার বাবা মোক্তার হোসেন বলেন, আমার মেয়ে এবার দাখিল পরীক্ষায় জিপি ৫ পেয়েছে। তার এই সাফল্যে আমি অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত। আমার মেয়ের এই সাফল্যের জন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের
অবদানকে সম্মান জানাই। তার ছোট্ট জীবনের প্রথম সাফল্য আমাকে আনন্দ দিচ্ছে।যেদিন থেকে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ জানতে পেল সেদিন থেকে আমার মেয়ে বার বার আমাকে বলেন ,আব্বু আমার জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের মনের আশা পূরণ করতে পারি। আজ তার সেই
প্রত্যাশিত আশাটি মহান রাব্বুল আলামীন আশা পূর্ণ করেছে। এখানে ফলাফলের সব কৃতিত্ব তার শিক্ষকদের। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমার মেয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ সেবায় ব্রত হয়ে দেশের অসহায় ও মেহনতি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে। আমার স্বপ্ন ভবিষ্যতে মেয়েকে ডাক্তার হিসেবে দেখতে।
সাঈমা সিদ্দিকী মুক্তা বলেন, আমি আমার সাফল্যের কৃতিত্ব বাবা-মা, পরিবার এবং আমার শিক্ষকদের। সাথে ছিলো আপনাদের সকলের দোয়া এবং ভালোবাসা। আমার স্বপ্ন-ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়া । এই মহৎ অবস্থানের প্রতি আমার স্বপ্ন যদি কোনো দিন বাস্তবে পরিণত হয়, তাহলে আমি বাংলাদেশের অসহায় মানুষের সেবা মান উন্নয়নে অনেক কিছু করবো।

মোক্তার হোসেন।