
রামপাল উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলামের জানাযায় দল-মত নির্বিশেষে এক কাতারে সামিল হয়েছিল সবাই। ঢল নেমেছিল মানুষের। ২১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জোহর নামাজ বাদ রামপাল উপজেলার সোনাতুনিয়া কামিল মাদ্রাসার মাঠে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজুল ইসলাম সোমবার রাত ৯ টায় ঢাকার আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী পুত্র ও কন্যা রেখে গেছেন। সিরাজুল ইসলামের ভাই উজলকুড় ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা খাজা মইনুদ্দিন আক্তার সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। তার পিতাও দীর্ঘদিন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। সিরাজুল ইসলাম রামপাল উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ষাটগম্বুজ ইউপি চেয়ারম্যান লন্ডন প্রবাসী ফকির তারিকুল ইসলাম, মাওলানা রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আবু সাঈদ, উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড, জামায়াত নেতা কোহিনুর সরদার, রামপাল উপজেলা বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান তুহিন, মোস্তফা কামাল পাটোয়ারী (হালিম পাটোয়ারী), ফকির তহিদুল ইসলাম, আসাফিউদ্দৌলা জুয়েল, কাজী জাহিদুল ইসলাম, মল্লিক জিয়াউল ইসলাম, মোল্লা আতিকুর রহমান রাসেল, মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন, রবিউল ইসলাম সহ মৃতের ভাই জাহিদুল ইসলাম বাবলা এবং তার ছেলে তনয় সহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও হাজার হাজার স্থানীয়রা।
বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: 


















