
কামরুজ্জামান শিমুল বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
বাদল আমাদের ভাই এবং বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা পালন করেছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপিকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে বাদলকে হত্যা করা হয়েছে। আপনারা শান্ত থাকুন, প্রশাসনের সহযোগিতায় আইনের মাধ্যমে বাদল হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। কৃষকদল নেতা বাদলের জানাজায় অংশগ্রহণ করে কথাগুলো বলেছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে বাগেরহাট জেলা সদরের আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি বাদল মোড়লের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা উপজেলা ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও হাজার হাজার স্থানীয় জনতা বাদলের জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাদলের লাশ দাফন করা হয়।
জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন আরো বলেন, অত্যন্ত সু পরিকল্পিতভাবে একটি গুপ্ত সংগঠন বাদল মোড়ল এবং বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ মোড়লকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ওই গুপ্ত সংগঠনটি এই এলাকার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২০ – ২২ জন নেতা কর্মীকে কুপিয়ে জখম করেছে, বিএনপি নেতাকর্মীদের রক্ত নিয়ে খেলা শুরু করে এই এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তিনি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা উশৃংখল নয় তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আবার যদি বিএনপি নেতা কর্মীদের উপর হামলা হয় সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড মোকাবেলা করা হবে।
৯ জুন রাতে আড়পাড়া বাজার থেকে ফকিরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন কৃষক দল নেতা বাদল মোড়ল এবং বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ মোড়ল। পথিমধ্যে মূল ঘর ইউনিয়নের নিয়তির মোড়ে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা একদল গুপ্ত সন্ত্রাসী তাদের উপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে যখম করে। ঘটনাস্থলেই বাদল-মোলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত আব্দুল্লাহ মোড়লকে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় বলে জানা গেছে।
প্রতিনিধির নাম 


















