ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

রায়পুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাদেক আর নেই

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি 

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাদেক (৭০) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজগর হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাদেক তিন মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন। দুই মাস আগে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্তসহ রায়পুরা উপজেলার রাধানগর ইউনিয়ন পরিষদের টানা ৪ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয় আওয়ামী লীগ।

তিনি নিজ গ্রামে গকুলনগর আবেদা ফজলু স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং বেলাব উপজেলার নারায়ণপুর সরাফত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে সম্পৃক্ত ছিলেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাদেক স্ত্রীসহ দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রায়পুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাদেক আর নেই

০১:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি 

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাদেক (৭০) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজগর হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাদেক তিন মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন। দুই মাস আগে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্তসহ রায়পুরা উপজেলার রাধানগর ইউনিয়ন পরিষদের টানা ৪ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয় আওয়ামী লীগ।

তিনি নিজ গ্রামে গকুলনগর আবেদা ফজলু স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং বেলাব উপজেলার নারায়ণপুর সরাফত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে সম্পৃক্ত ছিলেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাদেক স্ত্রীসহ দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।