
পাইকগাছা খুলনা প্রতিনিধি।
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা রেডক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নারী শিক্ষার প্রসারে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে রুখে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ জাতীয়করণ, মিনি স্টেডিয়াম এবং ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উন্নয়নের কৃতিত্ব এককভাবে সরকারের।
১৮ মে সোমবার দুপুরে পাইকগাছা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মনিরুল হাসান বাপ্পী আরও বলেন পাইকগাছা ও কয়রা অঞ্চল আধুনিক সুযোগ -সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে না। আমি এই এলাকার মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। কৃতজ্ঞতার ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত আমি আপনাদের পাশে থাকবো। জনগণকে সাথে নিয়ে দেশের অন্যান্য এলাকার ন্যায় এখানকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সকল উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া হবে।
কলেজ কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের জন্য দ্রুত একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে। একই সাথে ছাত্রীদের নামাজের স্থান, ডিজিটাল প্রজেক্টর ও ল্যাপটপসহ অন্যান্য আধুনিক শিক্ষা উপকরণ দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবরাহ করা হবে এবং কলেজটি পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম ফসিয়ার রহমানের সহধর্মিণী আলহাজ্ব ফাতেমা রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মমিনুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা, খুলনা জেলা পরিষদ),কেএম আশরাফুল আলম নান্নু (ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা রেডক্রিসেন্ট),প্রফেসর সমরেশ রায় (অধ্যক্ষ, সরকারি কলেজ),ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা)।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও দাতা সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— এডভোকেট আলহাজ্ব জিএ সবুর, ডাঃ আব্দুল মজিদ, আলহাজ্ব এডভোকেট আবু সাঈদ, এসএম এনামুল হক, আসলাম পারভেজ, কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, শাহদাৎ হোসেন ডাবলু, শেখ ইমাদুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, অধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ বাহার, শেখ শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওহাব, কলেজের দাতা সদস্য আলহাজ্ব মুর্শিদা আক্তার রনি ও আলহাজ্ব ইসতিয়ার রহমান শুভ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও মানপত্র দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। এছাড়া এলাকার উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য সাবেক স্পীকার শেখ রাজ্জাক আলী এবং দানবীর আলহাজ্ব ফসিয়ার রহমান-কে
কলেজের পক্ষ থেকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে কলেজের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধির নাম 


















