
পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় দলের প্রভাব দেখিয়ে দু’দফায় সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ এর মৎস্য ঘেরের বাঁধ কেটে একাকার করে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ এ ঘটনায় জড়িতদের নেট-পাটা দিয়ে ঘের করার পরিবেশ করতে নির্দেশনা দিলেও গত দেড় মাসেও তা কার্য্যকর হয়নি। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার লস্কর গ্রামে।
শেষ পর্যন্ত পাইকগাছা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ও আমাদের সময় এর প্রতিনিধি সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ দলীয তদন্তের দাবি করে ও সুবিচার পেতে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ আসনে’র দলীয় প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী’র কাছে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে, সাংবাদিক বিকাশ জানান, আমার বাড়ি সংলগ্ন হারি জমি ও নিজস্ব বন্দোবস্তকৃত জমিতে দু’টি খন্ডে বিভক্ত সাড়ে ৪ বিঘার মৎস্য ঘের রয়েছে। এ ঘেরের উপর সংসার ও ছেলে মেয়ে লেখাপড়াসহ বৃদ্ধ মা বাবার চিকিৎসার খরচ বহন করে।
চলতি মৌসুমের পুর্বে এলাকার পানি নিস্কাসন করতে প্রত্যেকের ব্যক্তি জমির উপর দিয়ে বেকু মেশিনে ক্যানেল কাটা শুরু হয়। মাটি নরম বা জল-কাঁদার কারনে এক বেকু মেশিনটি আমার ঘের সিমানা পর্যন্ত এসে থেমে যায়। ফলে ক্যানেল কাটা আর সম্ভব হয়নি।
দুঃখ জনক হলেও সত্য, পরবর্তীতে কোন রকম কথা-বার্তা ছাড়াই লস্কর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোস্তাকিন গাজী (৪২) খানজাহান আলী গাজী ( ৫৪) (গ্রাম সরকার)
তাঁতীদল নেতা আজিজুল গাজী (৩৫)সহ অনেকে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পানি সরানোর নাম করে পেশি শক্তি বলে আমার ঘেরের বাঁধ কেটে একাকার করে ক্ষয়ক্ষতি করে পেটে লাথি মেরেছেন।
শুরুতে লস্কর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল কাদিরকে জানালে সে সমাধানের চেষ্টা করেও শেষ নামাতে পারেনি।
পরবর্তীতে পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডঃ এফএমএ আঃ রাজ্জাক ও আমি উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ’কে সব ঘটনা খুলে বলি। তিনি তাৎক্ষনিক ভাবে মোবাইলে ঘটনায় জড়িত আজিজুল ও পরে খানজাহান’কে নেটপাটা দিয়ে সাংবাদিককে ঘের করার পরিবেশ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
কিন্তু তারা ডাঃ মজিদ এর কথার কোন রকম কর্নপাত না করে দ্বিতীয় দফায় আরো বে-পরোয়া হয়ে মাঝখানের কর্তনকৃত বাঁধের অবশিষ্টটাই কেটে ধ্বংস করে দিয়েছেন।
ওরা পুর্বশত্রুতা বশত আমার পরিবার’কে অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু করতে পরিকল্পিত ভাবে বাঁধ কেটে এ ক্ষয়ক্ষতি করেছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌছালে স্থানীয় নারী-পুরুষ অনেকে জানান,বিশেষ করে গ্রাম সরকার, আজিজুল যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তারা সেই দলেরই হয়। এরা ক্ষমতার দাপটে শুধু সাংবাদিক না আরোও অনেকের ঘের দখল ও দখলে কাজে সহযোগিতা করেন। এমনকি আজিজুলের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন পর্যন্ত হয়েছে।
সর্বশেষ দলীয় ভাবে তদন্ত দাবি করে সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পীর কাছে দায়ি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
প্রতিনিধির নাম 


















