ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

নুনছড়ি দেবতা পুকুরে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

শফিক ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধি:

আসন্ন বৈসাবি উৎসবকে কেন্দ্র করে মহালছড়ি সেনাবাহিনি জোনের অন্তর্ভুক্ত নুনছড়ি দেবতা পুকুর (মাতাই পুখিরী) এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ আয়োজন, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান বৈসাবী অনুষ্টান সুষ্ঠুভাবে উৎযাপনের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২ টায় তীর্থস্থান দেবতা পুকুর এলাকায় অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন মেজর আহসান, মহালছড়ি জোন। সভায় যৌথ বাহিনীর সদস্য, পুলিশ প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সেচ্ছাসেবক, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বৈসাবি উৎসব চলাকালীন পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যানজট নিরসন, মাদক ও অপরাধ দমন, এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে দেবতা পুকুরকে ঘিরে উৎসবের দিনগুলোতে মানুষের ব্যাপক সমাগম হয়—সেই বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা শেষে দেবতা পুকুর এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য যৌথভাবে কাজ করার ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে সফল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জবির ইকোনমিকস ক্যারিয়ার ক্লাবের নেতৃত্বে মাইশা-নাদিয়া

নুনছড়ি দেবতা পুকুরে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

১০:০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

শফিক ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধি:

আসন্ন বৈসাবি উৎসবকে কেন্দ্র করে মহালছড়ি সেনাবাহিনি জোনের অন্তর্ভুক্ত নুনছড়ি দেবতা পুকুর (মাতাই পুখিরী) এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ আয়োজন, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান বৈসাবী অনুষ্টান সুষ্ঠুভাবে উৎযাপনের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২ টায় তীর্থস্থান দেবতা পুকুর এলাকায় অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন মেজর আহসান, মহালছড়ি জোন। সভায় যৌথ বাহিনীর সদস্য, পুলিশ প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সেচ্ছাসেবক, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বৈসাবি উৎসব চলাকালীন পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যানজট নিরসন, মাদক ও অপরাধ দমন, এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে দেবতা পুকুরকে ঘিরে উৎসবের দিনগুলোতে মানুষের ব্যাপক সমাগম হয়—সেই বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা শেষে দেবতা পুকুর এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য যৌথভাবে কাজ করার ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে সফল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।