
খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধিঃ
‘মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের অপরিহার্য বিষয়’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনার ডুমুরিয়ায় ১০ ই ডিসেম্বর ২০২৫ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয় মানবাধিকার সংগঠন ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটি” ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার(১০ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কে বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব এর সামনে আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের উপজেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য খান আরিফুজ্জামান নয়ন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটি ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি ও বাংলাদেশ খিলাফত মজলিস মনোনীত খুলনা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী আলহাজ্ব অধ্যাপক মুফতী আব্দুল কাইউম জমাদ্দার।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটি ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা ও সোনামুখ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এম কামরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শেখ সহিদুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক ও কলামিষ্ট অধ্যাপক আব্দুল কাদের খান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস্ এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটি ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডুমুরিয়া ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব শাহজাহান জমাদ্দার, সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জি এম আমানুল্লাহ, নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক শেখ মাহতাব হোসেন, সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ বি এম নাজিম উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ইয়ুথ লিডার মুক্তা আফরোজ ,নির্বাহী সদস্য খান মহিদুল ইসলাম।
এ অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য গোবিন্দ পাল, ডাক্তার পুলিশ বিশ্বাস, মোঃ সরোয়ার মোড়ল, বলরাম রাহা সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক বৃন্দ ও সুধী সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা সভা শেষে একটি র্যালি বের হয়ে ডুমুরিয়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
মানবাধিকার দিবসটি জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল থেকে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস সকল মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে সমান মর্যাদা, স্বাধীনতা ও অধিকার নিয়ে পৃথিবীতে আসে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এখনও নির্যাতন, বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও অন্যায়ের ঘটনা ঘটে, তাই এই দিবস বিশ্ববাসীকে মানবতার পক্ষে একত্রিত হতে উদ্বুদ্ধ করে। এই দিন মানবাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে আইন, শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সামাজিক আন্দোলনের ভূমিকা জোরালো করে। রাষ্ট্র ও সমাজকে মানুষ কেন্দ্রিক নীতি গ্রহণে উৎসাহিত করে। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে। মানবাধিকার দিবস ন্যায়বিচার, সমতা ও শান্তির ভিত্তিতে একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করে তোলে।
প্রতিনিধির নাম 


















