
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
একজন কর্মচঞ্চল ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান। তিনি যোগদান করার পরপরই পাল্টে গেছে ভাঙ্গা উপজেলার চালচিত্র। তার কাছে গিয়ে নিরুপায় হয়ে কেউ ফিরে আসেনি। ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মো. মিজানুর রহমান গত ৭ নভেম্বর, ২৪খ্রি. তারিখে যোগদান করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি ভাঙ্গার সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তার মেধা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে ইতোমধ্যে ভাঙ্গা উপজেলায় জনবান্ধব উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। এক কথায় পাল্টে গেছে ভাঙ্গা উপজেলার দৃশ্যপট। গতিশীল হয়েছে কাজকর্ম। দূর হয়েছে সেবা প্রার্থীদের হয়রানি ও ভোগান্তি। ভাঙ্গা উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নতি ও ঘটেছে। ভাঙ্গা বাজারপাড়া এবং টাউন পাড়ের চলাচলের রাস্তাগুলো ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন।
মো. মিজানুর রহমান ভাঙ্গার যুব সমাজকে খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনতে ভাঙার ফুটবল ক্রিকেট খেলার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তার নেতৃত্বে ভাঙ্গায় বেশ কয়েকটি টুর্নামেন্ট হয়েছে যেটা চোখে পড়ার মতো। এজন্য তিনি ক্রীড়া মোদী হিসেবেও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা ও লেখাপড়া মনোযোগী করে তুলতে তার পৃষ্ঠপোষকতায় ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে গান, কবিতা, দাবা, চিত্রাঙ্গন ও ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছেন। তিনি সদা সর্বদা গরিব অসহায় ও দুস্থদের সেবক হিসেবে ভাঙ্গায় সুপরিচিতি লাভ করেছেন। সরকারি সাহায্য সহযোগিতা ও সমস্যার সংকটে উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে কাউকে বিমুখ হয়ে ফিরে আসতে হয়না বলে বলেছেন এলাকার সাধারন মানুষ। নিজ মেধা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে ইতোমধ্যে ভাঙ্গা উপজেলায় জনবান্ধব উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মো. মিজানুর রহমান ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
সেবা গ্রহীতা মাজু খাতুন (৬০) নামে এক বৃদ্ধা বলেন, “আল্লাহ জানি এই স্যাররে হাজার বছর বাচাইয়া রাহে, স্যার অনেক বালো, আমারে একবান টিন দিছে। কোন দিন আমি এরহম সাহায্য পাই নাই। দোয়া করি আল্লাহ এই ছাররে যেন হাজার বছর বাচাঁইয়া রাহে। সরকাররে কই, এই ছাররে যেন আমাগো ভাংগায় রাহে।”
কথা হয় উপজেলার আলগী ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লার সাথে, তিনি বলেন, “আমাদের ভাঙ্গায় অনেক ইউএনও মহোদয় আসছেন এবং গেছেন, কিন্তু আমার দেখা মতে জনাব মিজানুর রহমান সাহেব ব্যতিক্রম। সে সদা সর্বদা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে থাকেন এবং আমাদের খোঁজ-খবর রাখেন। গরিব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ান। এক কথায় এই ইউএনও স্যার একজন অসাধারণ ভালো মনের মানুষ। আমি তার সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।”
এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, “চাকুরী নিয়েছি জনগণের সেবা করার জন্য, আমার পক্ষ থেকে যতটুকু সেবা দেওয়ার প্রয়োজন তা আমি প্রাণপণ চেষ্টা করবো, ইনশাল্লাহ।”
প্রতিনিধির নাম 


















