ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

নেশাগ্রস্থ শিশুদের সংস্কারে অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব সাংবাদিক শাহানুর

স্টাফ রিপোর্টার ::

গত ২৭শে মার্চ রাতে মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে অভিভাবকহীন অবস্থায় ৬ জন পথ শিশু কে মানবেতর জীবন যাপনকারী, ঝুকিতে থাকা ও নেশাকরা অবস্থায় সাংবাদিক মোঃ শাহানুর ইসলাম ওই ৬ জনশিশুকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার ও পূনর্বাসনে জেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্যে জেলা প্রশাসক ড.মানোয়ার হোসেন মোল্লাকে ফোনে বিষয়টি অবগত করেই সদর থানায় চলে যান। থানায় ওসি এসএম আমানুল্লাহ কে ফোর্সসহ নিয়ে তাদের উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসেন।

এ সময় শিশুগুলো নেশাগ্রস্থ ও অসুস্থ ছিলো।পরে জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সদর থানার ওসির প্রচেষ্ঠায় রাতেই তাদের সদর হাসপাতাল হতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঢাকায় অভ্যর্থনা ও সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোহয়।
সাংবাদিক সমিতির জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক, দৈনিক নয়াদিগন্তের জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহানুর ইসলাম।

রোববার মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে জেলা আইন-শৃংখলা মিটিং এসম্মাননা পেয়েছেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব, প্রশাসক (যুগ্নসচিব) ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াসমিন খাতুন, ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্ণেল এরশাদ হোসাইন চৌধুরী পিএসসিএ প্রশংসাপত্র 
 শাহানুর ইসলামের হাতে তুলে দেন।

এ সময় ডিডিএলজি সানজিদা জেসমীন, এডিএম মোঃ নাজমুল হাসান খান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আঃ বাতেন ,জেলার বিভিন সরকারি বিভাগের প্রধানগন, বিভিন রাজনৈতিক দলের জেলা নেতবৃন্দ, সাংবাদিক, ছাত্র প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় একই কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এনডিসি মোঃ আহসানুল হক, সদর থানার ওসি এসএম আমানুল্লাহ্ ও ঘিওর উপজেলা সমাজসেবা ও প্রবেশন কর্মকর্তা জয় কষ্ণ কে সম্মাননা পত্র তুলে দেয়া হয়।

এ সময় শিশুগুলো নেশাগ্রস্থ ও অসুস্থ ছিলো।পরে জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সদর থানার ওসির প্রচেষ্ঠায় রাতেই তাদের সদর হাসপাতাল হতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঢাকায় অভ্যর্থনা ও সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোহয়।

জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত পক্ষ হতে প্রত্যেক শিশুকে  ২ সেট করে নতুন পোষাক ও ব্যাগ প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে,অভিভাবকহীন এই শিশুগুলো দীর্ঘ দিন যাবত মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে ড্যান্ডি নেশা করতো এবং অতি সম্প্রতি ছোটখাটো চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধকর্মে যুক্ত হতে থাকে। তাদের উদ্ধার করে পূর্নবাসনের সিন্ধান্ত নেয়া হলেও বিভিন্নকার নেতাদের উদ্ধার করা যাচ্ছিলনা। পুলিশ বা সরকারি লোক আসছে শুনলেই তারা পালিয়ে যেত। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় নোংরা জীবনযাপন করতো।

একটি সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় তাদের পূর্নবাসন প্রক্রিয়ায় নিতে পেরে জেলাপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ মানিকগঞ্জবাসী খুশি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড.মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, একটা বৈষম্যহীন অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজগঠনের জন্যে সমাজের সকল শিশুকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমাদের অনেক সীমবদ্ধতা সত্বেও আমাদের আন্তরিকতা আর দেশ প্রেম থাকলে আমরা যে কোন কাজই সফল ভাবে করতে পারি। আমাদের এ শিশুগুলো শুধু পথ শিশুনয় , তারা আমাদেরই সন্তান। আমাদের সবাইকে এ ধরনের শিশুদের পাশে দাড়াতে হবে। আর যারা এ ধরনের ভালো কাজের সাথে যুক্ত থাকে তাদের কে আমরা উৎসাহ দিলে,
সাংবাদিক শাহানুর ইসলাম তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা মানবিক কারনে, হৃদয়ের ভালবাসার কারনে এ শিশুদের উদ্ধারে এ গিয়ে গিয়েছি। কোন পুরস্কার বা সম্মাননা চিন্তাও করি নাই।তবে তারপরও জেলা প্রশাসন যেটা করেছে তার জন্যে তাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জবির ইকোনমিকস ক্যারিয়ার ক্লাবের নেতৃত্বে মাইশা-নাদিয়া

নেশাগ্রস্থ শিশুদের সংস্কারে অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব সাংবাদিক শাহানুর

০৮:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার ::

গত ২৭শে মার্চ রাতে মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে অভিভাবকহীন অবস্থায় ৬ জন পথ শিশু কে মানবেতর জীবন যাপনকারী, ঝুকিতে থাকা ও নেশাকরা অবস্থায় সাংবাদিক মোঃ শাহানুর ইসলাম ওই ৬ জনশিশুকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার ও পূনর্বাসনে জেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্যে জেলা প্রশাসক ড.মানোয়ার হোসেন মোল্লাকে ফোনে বিষয়টি অবগত করেই সদর থানায় চলে যান। থানায় ওসি এসএম আমানুল্লাহ কে ফোর্সসহ নিয়ে তাদের উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসেন।

এ সময় শিশুগুলো নেশাগ্রস্থ ও অসুস্থ ছিলো।পরে জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সদর থানার ওসির প্রচেষ্ঠায় রাতেই তাদের সদর হাসপাতাল হতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঢাকায় অভ্যর্থনা ও সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোহয়।
সাংবাদিক সমিতির জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক, দৈনিক নয়াদিগন্তের জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহানুর ইসলাম।

রোববার মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে জেলা আইন-শৃংখলা মিটিং এসম্মাননা পেয়েছেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব, প্রশাসক (যুগ্নসচিব) ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াসমিন খাতুন, ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্ণেল এরশাদ হোসাইন চৌধুরী পিএসসিএ প্রশংসাপত্র 
 শাহানুর ইসলামের হাতে তুলে দেন।

এ সময় ডিডিএলজি সানজিদা জেসমীন, এডিএম মোঃ নাজমুল হাসান খান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আঃ বাতেন ,জেলার বিভিন সরকারি বিভাগের প্রধানগন, বিভিন রাজনৈতিক দলের জেলা নেতবৃন্দ, সাংবাদিক, ছাত্র প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় একই কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এনডিসি মোঃ আহসানুল হক, সদর থানার ওসি এসএম আমানুল্লাহ্ ও ঘিওর উপজেলা সমাজসেবা ও প্রবেশন কর্মকর্তা জয় কষ্ণ কে সম্মাননা পত্র তুলে দেয়া হয়।

এ সময় শিশুগুলো নেশাগ্রস্থ ও অসুস্থ ছিলো।পরে জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সদর থানার ওসির প্রচেষ্ঠায় রাতেই তাদের সদর হাসপাতাল হতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঢাকায় অভ্যর্থনা ও সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোহয়।

জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত পক্ষ হতে প্রত্যেক শিশুকে  ২ সেট করে নতুন পোষাক ও ব্যাগ প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে,অভিভাবকহীন এই শিশুগুলো দীর্ঘ দিন যাবত মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে ড্যান্ডি নেশা করতো এবং অতি সম্প্রতি ছোটখাটো চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধকর্মে যুক্ত হতে থাকে। তাদের উদ্ধার করে পূর্নবাসনের সিন্ধান্ত নেয়া হলেও বিভিন্নকার নেতাদের উদ্ধার করা যাচ্ছিলনা। পুলিশ বা সরকারি লোক আসছে শুনলেই তারা পালিয়ে যেত। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় নোংরা জীবনযাপন করতো।

একটি সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় তাদের পূর্নবাসন প্রক্রিয়ায় নিতে পেরে জেলাপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ মানিকগঞ্জবাসী খুশি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড.মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, একটা বৈষম্যহীন অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজগঠনের জন্যে সমাজের সকল শিশুকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমাদের অনেক সীমবদ্ধতা সত্বেও আমাদের আন্তরিকতা আর দেশ প্রেম থাকলে আমরা যে কোন কাজই সফল ভাবে করতে পারি। আমাদের এ শিশুগুলো শুধু পথ শিশুনয় , তারা আমাদেরই সন্তান। আমাদের সবাইকে এ ধরনের শিশুদের পাশে দাড়াতে হবে। আর যারা এ ধরনের ভালো কাজের সাথে যুক্ত থাকে তাদের কে আমরা উৎসাহ দিলে,
সাংবাদিক শাহানুর ইসলাম তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা মানবিক কারনে, হৃদয়ের ভালবাসার কারনে এ শিশুদের উদ্ধারে এ গিয়ে গিয়েছি। কোন পুরস্কার বা সম্মাননা চিন্তাও করি নাই।তবে তারপরও জেলা প্রশাসন যেটা করেছে তার জন্যে তাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।