
ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধি
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভান্ডারপাড়া মাওলা এলাহি এতিমখানার সাবেক শিক্ষক তার মাসিক বেতনের বকেয়া টাকা চাওয়ায় স্থানীয় এক সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলার স্বীকার হয়েছেন।
থানার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,হাফেজ মোঃ বাবুল খান ভান্ডারপাড়া মাওলা এলাহি এতিমখানার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন কর্মরত অবস্থায় বকেয়া বেতনের ৩৯,০০০ হাজার পাওনা টাকা চাওয়ায় পূর্ব শত্রুুতার জেরে কোন কারণ ছাড়াই সন্ত্রাসী বাহিনীর গডফাদার ভান্ডারপাড়ার স্থানীয় সাত্তার সরদার,পারভেজ সরদার,হাসান ফকির,রেজাউল খান,লুৎফর রহমান শেখ,লিটন শেখ গংরা মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন।
মাদ্রাসা থেকে চলে আসার পর বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের কাছে আমার(বাবুল খান) পাওনা টাকা ফেরত চাইলে সাত্তার সরদার গংরা টাকা চাইতে নিষেদ করে ও আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিতে থাকে।
গত (২০ মার্চ) বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে মাওলা এলাহি এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে ওমর ফারুকের ফার্মেসীর দোকানের সামনে পরিকল্পিতভাবে আমাকে( বাবুল খান) পেয়ে অশ্লীলভাষায় গালি দিতে থাকে। আমি সাত্তার সরদার, পারভেজ সরদার,হাসান ফকির গংদের গালি দিতে নিষেদ করলে সাত্তার সরদার গংরা অতর্কিত সংঘবদ্ধভাবে আমার(বাবুল খান)উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। পরবর্তীতে স্থানীয় ও আত্মীয় স্বজনদের সহযোগিতায় আহত অবস্থায় হাফেজ বাবুল খান কে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সরেজমিন ও দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়,ভান্ডার পাড়া গ্রামের চিহ্নিত জুয়াড়ি ,মাদক সেবী ,সন্ত্রাসী বাহিনীর গডফাদার সাত্তার সরদার, হাসান ফকির গংরা ৫ ই আগস্টের পর থেকে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মামলা বাণিজ্য, অর্থের বিনিময় অবৈধভাবে সরকারি আবাসনের ঘর বিক্রি সহ নানা ধরনের অপকর্মের সাথে যুক্ত রয়েছে।স্থানীয় এলাকাবাসী সাত্তার সরদার ও হাসান ফকির গংদের এ সমস্ত লাগামহীন অপকর্মের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য এ সন্ত্রাসী হামলায় বিষয়ে হাফেজ মোঃ বাবুল খান নিজেই বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
প্রতিনিধির নাম 


















