ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারী , সকল ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি

সাংবাদিক মোক্তার হোসেন::

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। আমাদের জাতীয় জীবনের অবিস্মরণীয় একটি দিন। আমি এই দিনে সকল ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। রক্তরাঙ্গা ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে মাতৃভাষা’র মর্যাদা রক্ষার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এ দিনেই সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাদের এই মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে রচিত হয়েছে আমাদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের প্রথম সোপান। ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এখন বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। বায়ান্ন সালের ২১’শের রক্তাক্ত পথ ধরেই এদেশের সকল গণতান্ত্রিক ভাষা অধিকারের সংগ্রাম
তীব্র হয়ে অর্জিত হয়েছে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের।
অর্জিত হয়েছে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা।
জনগণ শৃঙ্খলমুক্ত হয়, ফিরে পায় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব একটি ভূখন্ড। ন্যায়বিচার, মানবিক সাম্য তথা প্রকৃত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও চিরস্থায়ী করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্রকে যাতে আর কেউ কঠিন শৃঙ্খলে বন্দী করতে না পারে সেজন্য স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী গণতান্ত্রিক শক্তিকে সার্বক্ষণিক সজাগ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে একুশের অম্লান চেতনা আমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করবে। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয়তাবাদ ও ঐক্যের অনুভূতি জাগ্রত করে। আমাদের ২১ ফেব্রুয়ারী আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করায় গোটা বিশ্বে মাতৃভাষা’র মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ৫২’র ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের জানাচ্ছি সমবেদনা। পাশাপাশি ভাষা সৈনিকদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন। তাঁদের পরিবারের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ূ কামনা করি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারী , সকল ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি

১২:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সাংবাদিক মোক্তার হোসেন::

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। আমাদের জাতীয় জীবনের অবিস্মরণীয় একটি দিন। আমি এই দিনে সকল ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। রক্তরাঙ্গা ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে মাতৃভাষা’র মর্যাদা রক্ষার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এ দিনেই সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাদের এই মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে রচিত হয়েছে আমাদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের প্রথম সোপান। ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এখন বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। বায়ান্ন সালের ২১’শের রক্তাক্ত পথ ধরেই এদেশের সকল গণতান্ত্রিক ভাষা অধিকারের সংগ্রাম
তীব্র হয়ে অর্জিত হয়েছে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের।
অর্জিত হয়েছে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা।
জনগণ শৃঙ্খলমুক্ত হয়, ফিরে পায় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব একটি ভূখন্ড। ন্যায়বিচার, মানবিক সাম্য তথা প্রকৃত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও চিরস্থায়ী করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্রকে যাতে আর কেউ কঠিন শৃঙ্খলে বন্দী করতে না পারে সেজন্য স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী গণতান্ত্রিক শক্তিকে সার্বক্ষণিক সজাগ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে একুশের অম্লান চেতনা আমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করবে। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয়তাবাদ ও ঐক্যের অনুভূতি জাগ্রত করে। আমাদের ২১ ফেব্রুয়ারী আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করায় গোটা বিশ্বে মাতৃভাষা’র মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ৫২’র ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের জানাচ্ছি সমবেদনা। পাশাপাশি ভাষা সৈনিকদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন। তাঁদের পরিবারের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ূ কামনা করি।