ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

মহালছড়িতে সামাজিক সংস্কার আন্দোলন কতৃক কম্বল বিতরণ

মহালছড়ি প্রতিনিধি ::

শৈত প্রবাহ শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে। হার কাঁপানো শীতে যেন জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পার্বত্য জনপদের অতি দরিদ্র মানুষ শীতে অসহনীয় কষ্ট পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতে (২ ফেব্রুয়ারি) রবিবার বাড়ি-বাড়ি ঘুরে কম্বল উপহার দিয়েছেন মহালছড়ি সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ব্যানারে কিছু তরুণ উদ্যোক্তা ও উন্নয়ন কর্মী। যাদের মধ্যে অন্যতম মহালছড়ি স্বপ্নবিলাস এগ্রো ফার্ম এর স্বত্বাধিকারী মো: খালেদ মাসুদ সাগর, মোঃ রনি, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ শাকিব, মোঃ মোরশেদ আলম প্রমুখ।

মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের শান্তি নগর গ্রামের হরমোজা খাতুন বলেন,হালকা কম্বল ও কাঁথা জড়িয়ে শুয়ে থাকি। শীতে ভিষণ কষ্ট হয়। কম্বল পেয়ে উপকার হল,দিনের বেলায়ও গায়ে জড়িয়ে রাখা যাবে। যৌথখামার এলাকার পাইসানু মারমা বলেন, কাজের মধ্যে থাকলে শীত কম লাগে প্রায় সারাদিন বসেই কাটে। শীতও বেশি লাগে। আমার জন্য একটি কম্বল অনেক বড় উপহার। তরুণ উদ্যোক্তা খালেদ মাসুদ সাগর বলেন, মহালছড়ি বসবাসরত শান্তি নগর ও যৌথ খামার গ্রামের ৫০ টি পরিবারে কম্বল উপহার দেওয়া হয়েছে আরও ১০০ টির বেশি দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শীতের কম্বল পেয়ে সবাই খুব খুশি হয়েছেন এবং আমাদের শীত বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী ধারাবাহিক থাকবে। যাদের সামর্থ্য রয়েছে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে আহ্বান করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

মহালছড়িতে সামাজিক সংস্কার আন্দোলন কতৃক কম্বল বিতরণ

০৬:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মহালছড়ি প্রতিনিধি ::

শৈত প্রবাহ শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে। হার কাঁপানো শীতে যেন জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পার্বত্য জনপদের অতি দরিদ্র মানুষ শীতে অসহনীয় কষ্ট পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতে (২ ফেব্রুয়ারি) রবিবার বাড়ি-বাড়ি ঘুরে কম্বল উপহার দিয়েছেন মহালছড়ি সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ব্যানারে কিছু তরুণ উদ্যোক্তা ও উন্নয়ন কর্মী। যাদের মধ্যে অন্যতম মহালছড়ি স্বপ্নবিলাস এগ্রো ফার্ম এর স্বত্বাধিকারী মো: খালেদ মাসুদ সাগর, মোঃ রনি, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ শাকিব, মোঃ মোরশেদ আলম প্রমুখ।

মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের শান্তি নগর গ্রামের হরমোজা খাতুন বলেন,হালকা কম্বল ও কাঁথা জড়িয়ে শুয়ে থাকি। শীতে ভিষণ কষ্ট হয়। কম্বল পেয়ে উপকার হল,দিনের বেলায়ও গায়ে জড়িয়ে রাখা যাবে। যৌথখামার এলাকার পাইসানু মারমা বলেন, কাজের মধ্যে থাকলে শীত কম লাগে প্রায় সারাদিন বসেই কাটে। শীতও বেশি লাগে। আমার জন্য একটি কম্বল অনেক বড় উপহার। তরুণ উদ্যোক্তা খালেদ মাসুদ সাগর বলেন, মহালছড়ি বসবাসরত শান্তি নগর ও যৌথ খামার গ্রামের ৫০ টি পরিবারে কম্বল উপহার দেওয়া হয়েছে আরও ১০০ টির বেশি দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শীতের কম্বল পেয়ে সবাই খুব খুশি হয়েছেন এবং আমাদের শীত বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী ধারাবাহিক থাকবে। যাদের সামর্থ্য রয়েছে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে আহ্বান করেন।