ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

বরগুনাতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতঘড়ে অগ্নিকাণ্ডের অভিযোগ

গোলাম রাব্বি(বরগুনা)
বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আমতলী এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ধরে পরিকল্পিত ভাবে মোঃ রফিকুল ইসলাম নামক ব্যক্তির বসত ঘরেতে অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে চার পাঁচজন অগ্যত ব্যক্তিরা।

রফিকুল ইসলাম জানান বিগত ইংরেজি ১৫ তারিখ সন্ধ্যা রাতে আমার বাড়ির সামনে নিজ চায়ের দোকানে থাকাকালীন অবস্থায় আমার বসত ঘরের চারপাশে মোঃ মোশারের পিতা, মোঃ হাসেম আলী, সহ আরো অজ্ঞাত ৩-৪ জন যুবক আমার বসতবাড়ির চারপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখতে আমার অসুস্থ বৃদ্ধ মা, বাড়ি থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি আমাকে জানালে আমি পথচারী ভেবে বিষয় গুরুত্ব দেয়নি।
পরবর্তীতে আমার বৃদ্ধ মা জানালা থেকে ঘরের বাইরে অপরিচিত তিন চারজন লোকের উপস্থিতি লক্ষ্য করলে আমার বৃদ্ধ মা তাদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর না দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
অবশেষে আনুমানিক সময় রাত দশটার দিকে আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার বসত ঘরের পিছন দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।
ঘরে ছিলো আমার অসুস্থ বৃদ্ধ মা ও আট বছরের ছেলে।তারা আগুন লেগেছে টের পেলে ডাক চিৎকার শুরু করলে,তখন পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাদের সাথে আগুন আগুন বলে চিৎকার শুরু করেন
তখন আমি এবং আমার স্ত্রী আমার নিজ দোকানে অবস্থান করছিলাম।বাড়ির ভেতর থেকে সবার ডাক চিৎকারে শুনতে পেলে আমার স্ত্রীকে দোকানে বসিয়ে রেখে আমি দৌড়ে বাড়ি চলে আসি এবং আমার নিজ ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে আমি আগুন নেভানোর চেষ্টা করি।

ঘরে আগুন জ্বলাকালীন সময় আমার ঘরের পেছনে গোয়াল ঘরে থাকা গরু ছাড়াতে গিয়ে উক্ত আসামী মোশারফ সহ অজ্ঞাত তিন চার জনকে তড়িৎ গতিতে বাড়ির পিছনের বাগান দিয়ে পালিয়ে যেতে দেখি,
তখন আমি ডাক চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা সবাই এসে আমাকে আগুন নেভাতে সাহায্য করে।
অপরদিকে সকলে আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত থাকার ফাকে দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে আসামিরা পালিয়ে যায়।আমি আগুনের ব্যপকতা লক্ষ্য করে বরগুনা সদর থানা এবং ফায়ার সার্ভিস সহ উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানিক চন্দ্রেকে খবর দিলে তারা এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন।

মোঃ রফিকুর ইসলাম সংবাদকর্মীদের জানান আগুন লাগানোর বিষয়ে, তিনি নিজে বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদকর্মীরা সদর থানার ডিউটি অফিসার মোঃ শামিম এর কাছে অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

বরগুনাতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতঘড়ে অগ্নিকাণ্ডের অভিযোগ

১০:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

গোলাম রাব্বি(বরগুনা)
বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আমতলী এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ধরে পরিকল্পিত ভাবে মোঃ রফিকুল ইসলাম নামক ব্যক্তির বসত ঘরেতে অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে চার পাঁচজন অগ্যত ব্যক্তিরা।

রফিকুল ইসলাম জানান বিগত ইংরেজি ১৫ তারিখ সন্ধ্যা রাতে আমার বাড়ির সামনে নিজ চায়ের দোকানে থাকাকালীন অবস্থায় আমার বসত ঘরের চারপাশে মোঃ মোশারের পিতা, মোঃ হাসেম আলী, সহ আরো অজ্ঞাত ৩-৪ জন যুবক আমার বসতবাড়ির চারপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখতে আমার অসুস্থ বৃদ্ধ মা, বাড়ি থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি আমাকে জানালে আমি পথচারী ভেবে বিষয় গুরুত্ব দেয়নি।
পরবর্তীতে আমার বৃদ্ধ মা জানালা থেকে ঘরের বাইরে অপরিচিত তিন চারজন লোকের উপস্থিতি লক্ষ্য করলে আমার বৃদ্ধ মা তাদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর না দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
অবশেষে আনুমানিক সময় রাত দশটার দিকে আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার বসত ঘরের পিছন দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।
ঘরে ছিলো আমার অসুস্থ বৃদ্ধ মা ও আট বছরের ছেলে।তারা আগুন লেগেছে টের পেলে ডাক চিৎকার শুরু করলে,তখন পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাদের সাথে আগুন আগুন বলে চিৎকার শুরু করেন
তখন আমি এবং আমার স্ত্রী আমার নিজ দোকানে অবস্থান করছিলাম।বাড়ির ভেতর থেকে সবার ডাক চিৎকারে শুনতে পেলে আমার স্ত্রীকে দোকানে বসিয়ে রেখে আমি দৌড়ে বাড়ি চলে আসি এবং আমার নিজ ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে আমি আগুন নেভানোর চেষ্টা করি।

ঘরে আগুন জ্বলাকালীন সময় আমার ঘরের পেছনে গোয়াল ঘরে থাকা গরু ছাড়াতে গিয়ে উক্ত আসামী মোশারফ সহ অজ্ঞাত তিন চার জনকে তড়িৎ গতিতে বাড়ির পিছনের বাগান দিয়ে পালিয়ে যেতে দেখি,
তখন আমি ডাক চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা সবাই এসে আমাকে আগুন নেভাতে সাহায্য করে।
অপরদিকে সকলে আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত থাকার ফাকে দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে আসামিরা পালিয়ে যায়।আমি আগুনের ব্যপকতা লক্ষ্য করে বরগুনা সদর থানা এবং ফায়ার সার্ভিস সহ উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানিক চন্দ্রেকে খবর দিলে তারা এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন।

মোঃ রফিকুর ইসলাম সংবাদকর্মীদের জানান আগুন লাগানোর বিষয়ে, তিনি নিজে বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদকর্মীরা সদর থানার ডিউটি অফিসার মোঃ শামিম এর কাছে অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।