
গোলাম রাব্বি(বরগুনা):-
বরগুনার তালতলীতে প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলা শহরের দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রসূতির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তালতলী শহরের হোটেল ব্যবসায়ী ইব্রাহিম খলিল সোহাগের স্ত্রী লিপি আক্তার প্রসবব্যথা নিয়ে শনিবার বিকেলে হাসপাতাল সড়কের দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। সন্ধ্যার পর ওই ক্লিনিকে স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রুনা রহমান ওই প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এ সময় নবজাতকের পিঠ কেটে যায়।
নবজাতকের বাবা সোহাগ বলেন, সিজারিয়ান অপারেশন এক ঘণ্টা পরে নবজাতক মেয়ের গায়ে কাপড় পেঁচিয়ে আমার হাতে তুলে দেয়। পরবর্তী সময়ে অনবরত কান্না করতে থাকে। ওই সময় মেয়ের শরীরে রক্ত দেখতে পাই। পরে গায়ের কাপড় খুলে ডান হাতের নিচে কেটে যাওয়ার ক্ষত দেখতে পেয়ে বিষয়টি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে ডা. রুনা রহমানের কাছে সাংবাদিক পরিচয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।
বরগুনা জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফজলুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধির নাম 


















