ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে ঈদগাঁওয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

মোঃ ওসমান গনি ইলি, কক্সবাজার:

নিরাপদ নিয়মিত ও দক্ষ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক এক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) স্ট্রেনদেন্ড অ্যান্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ওরিয়েন্টেশনের মূল লক্ষ্য ছিল নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অংশীজনদের জ্ঞান সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রত্যাশীর সিমস প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী রশিদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে ওরিয়েন্টেশনের উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে প্রকল্প পরিচিতি অভিবাসন ও শ্রম অভিবাসনের বর্তমান প্রেক্ষাপট, দক্ষতা উন্নয়নের গুরুত্ব, বিদেশগমনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা, অভিবাসন-সংক্রান্ত আইন ও নীতিমালা, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ওরিয়েন্টেশনে বক্তারা বলেন, অভিবাসন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও সচেতনতার অভাবে অনেকেই প্রতারণার শিকার হন। তাই নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিদেশগমন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউডিসি উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর সেবা প্রদানে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা নিরাপদ অভিবাসন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটে অভিবাসন খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা, মাইগ্রেশন কর্নার স্থায়ীকরণ, ভিসা যাচাই কার্যক্রম জোরদার করা, প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের বিভিন্ন সেবা গ্রহণে প্রয়োজনীয় ফরম পূরণে সহায়তা প্রদান এবং স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ প্রদান উল্লেখযোগ্য। সুইজারল্যান্ড দূতাবাস বাংলাদেশ এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত সিমস প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার ২৮টি ইউনিয়নে অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য নিরাপদ, নিয়মিত এবং মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন নিশ্চিত করতে জনসচেতনতামূলক, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবা সংযোগমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে ঈদগাঁওয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

০৪:৫৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মোঃ ওসমান গনি ইলি, কক্সবাজার:

নিরাপদ নিয়মিত ও দক্ষ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক এক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) স্ট্রেনদেন্ড অ্যান্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ওরিয়েন্টেশনের মূল লক্ষ্য ছিল নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অংশীজনদের জ্ঞান সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রত্যাশীর সিমস প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী রশিদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে ওরিয়েন্টেশনের উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে প্রকল্প পরিচিতি অভিবাসন ও শ্রম অভিবাসনের বর্তমান প্রেক্ষাপট, দক্ষতা উন্নয়নের গুরুত্ব, বিদেশগমনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা, অভিবাসন-সংক্রান্ত আইন ও নীতিমালা, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ওরিয়েন্টেশনে বক্তারা বলেন, অভিবাসন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও সচেতনতার অভাবে অনেকেই প্রতারণার শিকার হন। তাই নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিদেশগমন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউডিসি উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর সেবা প্রদানে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা নিরাপদ অভিবাসন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটে অভিবাসন খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা, মাইগ্রেশন কর্নার স্থায়ীকরণ, ভিসা যাচাই কার্যক্রম জোরদার করা, প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের বিভিন্ন সেবা গ্রহণে প্রয়োজনীয় ফরম পূরণে সহায়তা প্রদান এবং স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ প্রদান উল্লেখযোগ্য। সুইজারল্যান্ড দূতাবাস বাংলাদেশ এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত সিমস প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার ২৮টি ইউনিয়নে অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য নিরাপদ, নিয়মিত এবং মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন নিশ্চিত করতে জনসচেতনতামূলক, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবা সংযোগমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।