ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সালিশে মারধরের করায় তরুণীর আত্মহত্যা

মিরাজ খান মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উত্তর কাশাদহে গ্রাম্য সালিশে প্রকাশ্যে মারধরের পর নাজমা আক্তার (২৫) নামে এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত নাজমা আক্তার শিবালয় ইউনিয়নের খালেক পেয়াদারের মেয়ে। তিনি একটি তালা তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলেন।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নাজমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগ তুলে ১৭ এপ্রিল রাতে তার বাবার বাড়িতে একটি সালিশ বসানো হয়। স্থানীয় মাতব্বর আজিজ খানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই সালিশে নাজমা ও এক যুবককে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়।দীর্ঘ সময় ধরে কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও জানা গেছে। পরদিন সকালে নাজমা কর্মস্থলে গেলেও বিকেলে বাড়ি ফিরে আসেন। সন্ধ্যার দিকে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেন তিনি।

নিহতের মা নাসিমা বেগম বলেন, ‘সবার সামনে সালিশের নামে প্রকাশ্যে অপমান ও শারীরিক নির্যাতনের মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত বেছে নেন। আমি এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে শিবালয় থানার ওসি (তদন্ত) মানোবেন্দ্র বালো বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সালিশে মারধরের করায় তরুণীর আত্মহত্যা

০৭:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মিরাজ খান মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উত্তর কাশাদহে গ্রাম্য সালিশে প্রকাশ্যে মারধরের পর নাজমা আক্তার (২৫) নামে এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত নাজমা আক্তার শিবালয় ইউনিয়নের খালেক পেয়াদারের মেয়ে। তিনি একটি তালা তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলেন।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নাজমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগ তুলে ১৭ এপ্রিল রাতে তার বাবার বাড়িতে একটি সালিশ বসানো হয়। স্থানীয় মাতব্বর আজিজ খানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই সালিশে নাজমা ও এক যুবককে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়।দীর্ঘ সময় ধরে কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও জানা গেছে। পরদিন সকালে নাজমা কর্মস্থলে গেলেও বিকেলে বাড়ি ফিরে আসেন। সন্ধ্যার দিকে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেন তিনি।

নিহতের মা নাসিমা বেগম বলেন, ‘সবার সামনে সালিশের নামে প্রকাশ্যে অপমান ও শারীরিক নির্যাতনের মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত বেছে নেন। আমি এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে শিবালয় থানার ওসি (তদন্ত) মানোবেন্দ্র বালো বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।’