ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

জালিয়াপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিস না থাকায় ক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার ,খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে গতরাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার দিবাগত রাত ১ টা ৪৪ মিনিটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন, সেনাবাহিনীর সদস্য ও আনসার ভিডিপির সদস্য এবং দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে বাজারের বহু দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়।
খবর পেয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আইরিন আকতার, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী এবং সেনাবাহিনীর অফিসারগণ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ইউএনও আইরিন আকতার ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেন এবং সকলকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “উপজেলা প্রশাসন এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছে এবং যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করবে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গুইমারা উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কোনো কার্যালয় না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, “গুইমারাতে যদি একটি ফায়ার সার্ভিস অফিস থাকতো, তবে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যেত। আমাদের ১৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যেত না, হয়তোবা এই ক্ষতি কিছুটা কমানো যেত।”
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের পর আবারও স্থানীয়রা দ্রুত এই উপজেলায় একটি ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপনের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

জালিয়াপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিস না থাকায় ক্ষোভ

০৬:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার ,খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে গতরাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার দিবাগত রাত ১ টা ৪৪ মিনিটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন, সেনাবাহিনীর সদস্য ও আনসার ভিডিপির সদস্য এবং দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে বাজারের বহু দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়।
খবর পেয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আইরিন আকতার, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী এবং সেনাবাহিনীর অফিসারগণ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ইউএনও আইরিন আকতার ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেন এবং সকলকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “উপজেলা প্রশাসন এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছে এবং যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করবে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গুইমারা উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কোনো কার্যালয় না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, “গুইমারাতে যদি একটি ফায়ার সার্ভিস অফিস থাকতো, তবে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যেত। আমাদের ১৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যেত না, হয়তোবা এই ক্ষতি কিছুটা কমানো যেত।”
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের পর আবারও স্থানীয়রা দ্রুত এই উপজেলায় একটি ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপনের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।