ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

না ফেরার দেশে চলে গেলেন মালদ্বীপ প্রবাসী মোঃ ইসহাক মিয়া।

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি

মালদ্বীপের রাজধানীর মালেতে দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বি বাড়িয়া জেলার নাছিরনগরের উপজেলার মোঃ ইসহাক। বুধবার রাত দুইটার দিকে সে অসুস্থ অনুভব করলে তাহার রুমমেট ও সহকর্মীরা দ্রুত তাকে মালদ্বীপের রাজধানীর মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হসপিটালে (আই জি এম এইচ) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুতে গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি বি বাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার কাগালিয়া গ্রামের খাঁ বাড়ির মোঃ আহাদ মিয়ার সাত সন্তানের মধ্যে মালদ্বীপ প্রবাসী মৃত ইসহাক মিয়া ছিলেন দ্বিতীয়। মৃত মোঃ ইসহাক মিয়া স্ত্রী ও তিন কন্যা সন্তান রেখে গেছেন, তাহার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাহার মা ও তাহার স্ত্রী বারবার মুর্শা যাচ্ছেন। মৃতের বাবা মোঃ আহাদ মিয়া ছেলের শোকে প্রায় পাগলপ্রায় হয়ে গেছে। তিনি শেষবারের মতো ছেলের মৃত মুখটি দেখতে ছেলের লাশটি দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার ও মালদ্বীপের সুশীল সমাজসহ সকল প্রবাসীদের কাছে আহবান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

না ফেরার দেশে চলে গেলেন মালদ্বীপ প্রবাসী মোঃ ইসহাক মিয়া।

০৫:২৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি

মালদ্বীপের রাজধানীর মালেতে দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বি বাড়িয়া জেলার নাছিরনগরের উপজেলার মোঃ ইসহাক। বুধবার রাত দুইটার দিকে সে অসুস্থ অনুভব করলে তাহার রুমমেট ও সহকর্মীরা দ্রুত তাকে মালদ্বীপের রাজধানীর মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হসপিটালে (আই জি এম এইচ) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুতে গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি বি বাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার কাগালিয়া গ্রামের খাঁ বাড়ির মোঃ আহাদ মিয়ার সাত সন্তানের মধ্যে মালদ্বীপ প্রবাসী মৃত ইসহাক মিয়া ছিলেন দ্বিতীয়। মৃত মোঃ ইসহাক মিয়া স্ত্রী ও তিন কন্যা সন্তান রেখে গেছেন, তাহার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাহার মা ও তাহার স্ত্রী বারবার মুর্শা যাচ্ছেন। মৃতের বাবা মোঃ আহাদ মিয়া ছেলের শোকে প্রায় পাগলপ্রায় হয়ে গেছে। তিনি শেষবারের মতো ছেলের মৃত মুখটি দেখতে ছেলের লাশটি দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার ও মালদ্বীপের সুশীল সমাজসহ সকল প্রবাসীদের কাছে আহবান জানিয়েছেন।