
মোঃ ওসমান গনি ইলি, কক্সবাজার:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী লোকাল বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের দরগাপাড়া এলাকার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাইছড়ি ব্রিজসংলগ্ন চেকপোস্টে এ অভিযান চালানো হয়। র্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পকেন্দ্রিক একটি চক্র মাদকের বড় চালান নিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল সোনাইছড়ি ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে।
তল্লাশির একপর্যায়ে চট্টগ্রামগামী ‘ঈগল পরিবহন’ নামের একটি লোকাল বাসে দুই যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদের দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৯ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন,উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১-এর এফ/৫ ব্লকের নবী হোসেনের ছেলে হাফিজুল হক (২৪) এবং একই ক্যাম্পের ই/৮ ব্লকের আবুল বাশারের ছেলে মুর্শিদ আলম (২৫)। র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মিয়ানমার রেজিস্ট্রেশন কার্ড (এমআরসি) নম্বর যথাক্রমে ১৫৬৫৩৫ ও ১৫৫৫৪০৪।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতসহ গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৫।










