ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

অমর একুশে বইমেলায় কথা সাহিত্যিক রুবেল বড়ুয়ার উপন্যাস ‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’

বিশেষ প্রতিনিধি:

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে উপন্যাস লিখলেন পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার কৃতি সন্তান রুবেল বড়ুয়া। পেশায় তিনি একজন কথা সাহিত্যিক, ও উদ্যোক্তা। লিখিত ‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’উপন্যাস বইটি বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে, গতিধারা’র ১৭ নং প্যাভিলিয়ন বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান,ঢাকা।
‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’ উপন্যাসটি শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন এর মধ্য দিয়ে সভ্য জাতিতে রূপান্তরিত করার উদ্দেশে লিখিত।গল্পটি স্বাধীনতার একশ বছর মাথায় রেখে রচিত।যদিওবা গল্পটি শুরু হয় দুই হাজার সত্তর সালে;সত্তর সাল থেকে দুই হাজার এক সাল..।গল্পের পরিসমাপ্তি ঘটে দুই হাজার একাত্তর সালে।গল্পটির মূল চরিত্রে ছিলেন নোবেলজয়ী বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আতহার রহমান।লেখক গল্পটিতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, সামাজিকতা, শৃঙ্খলা, ন্যায়-অন্যায়,মনুষ্যত্ববোধ,বিনয়ী গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার বিকল্প নাই মনে করেন।গঠনমূলক শিক্ষাই পারে মনুষ্য জাতিকে সভ্য জাতিতে রূপান্তরিত করতে।তাই গল্পটিতে বাল্যকালকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন আতহার রহমান।তিনি মনে করেন:কোমলমতি বাচ্চাদের বুনিয়াদ যদি মজবুত হয় তাহলে সভ্য জাতিতে পরিণত করতে খুবই সহজ হবে।সাথে সাথে তিনি সাধারণ গ্রেজুয়েশন এর চেয়েও প্রযুক্তি নির্ভর গ্রেজুয়েশন’কে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।লেখক আতহার রহমান মনে করেন :সভ্য জাতির পাশাপাশি দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে বিজ্ঞানও প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিমীয়।গল্পে আতহার রহমান লিখিত উপন্যাসের বাস্তবায়ন করেন তাঁরই মেয়ে ডা.ফাতেমা আক্তার।গল্পটি ভ্রমণের সাথে সাথে রোমান্টিকতা এবং পর্যাপ্ত ট্র্যাজেডি রয়েছে।

‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’ উপন্যাসটিতে চরিত্র, পরিবেশ,কাহিনীর গঠন, সংলাপ, এবং থিমের মাধ্যমে একটি জটিল ও বিস্তৃত বিশ্ব তৈরি করে, যা পাঠককে নানা ভাবনা ও অনুভূতির মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে মনে করি।গল্পটি সাবলীল ভাষায় রচিত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

অমর একুশে বইমেলায় কথা সাহিত্যিক রুবেল বড়ুয়ার উপন্যাস ‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’

০৯:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি:

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে উপন্যাস লিখলেন পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার কৃতি সন্তান রুবেল বড়ুয়া। পেশায় তিনি একজন কথা সাহিত্যিক, ও উদ্যোক্তা। লিখিত ‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’উপন্যাস বইটি বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে, গতিধারা’র ১৭ নং প্যাভিলিয়ন বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান,ঢাকা।
‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’ উপন্যাসটি শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন এর মধ্য দিয়ে সভ্য জাতিতে রূপান্তরিত করার উদ্দেশে লিখিত।গল্পটি স্বাধীনতার একশ বছর মাথায় রেখে রচিত।যদিওবা গল্পটি শুরু হয় দুই হাজার সত্তর সালে;সত্তর সাল থেকে দুই হাজার এক সাল..।গল্পের পরিসমাপ্তি ঘটে দুই হাজার একাত্তর সালে।গল্পটির মূল চরিত্রে ছিলেন নোবেলজয়ী বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আতহার রহমান।লেখক গল্পটিতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, সামাজিকতা, শৃঙ্খলা, ন্যায়-অন্যায়,মনুষ্যত্ববোধ,বিনয়ী গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার বিকল্প নাই মনে করেন।গঠনমূলক শিক্ষাই পারে মনুষ্য জাতিকে সভ্য জাতিতে রূপান্তরিত করতে।তাই গল্পটিতে বাল্যকালকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন আতহার রহমান।তিনি মনে করেন:কোমলমতি বাচ্চাদের বুনিয়াদ যদি মজবুত হয় তাহলে সভ্য জাতিতে পরিণত করতে খুবই সহজ হবে।সাথে সাথে তিনি সাধারণ গ্রেজুয়েশন এর চেয়েও প্রযুক্তি নির্ভর গ্রেজুয়েশন’কে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।লেখক আতহার রহমান মনে করেন :সভ্য জাতির পাশাপাশি দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে বিজ্ঞানও প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিমীয়।গল্পে আতহার রহমান লিখিত উপন্যাসের বাস্তবায়ন করেন তাঁরই মেয়ে ডা.ফাতেমা আক্তার।গল্পটি ভ্রমণের সাথে সাথে রোমান্টিকতা এবং পর্যাপ্ত ট্র্যাজেডি রয়েছে।

‘জাতির বিবর্তনের যাত্রা’ উপন্যাসটিতে চরিত্র, পরিবেশ,কাহিনীর গঠন, সংলাপ, এবং থিমের মাধ্যমে একটি জটিল ও বিস্তৃত বিশ্ব তৈরি করে, যা পাঠককে নানা ভাবনা ও অনুভূতির মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে মনে করি।গল্পটি সাবলীল ভাষায় রচিত।