শফিক ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধি
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে খরিপ-১ মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় ৩০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি করে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধানের বীজ (ব্রি ধান-৯৮), ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলার সহকারী কমিশনার মোঃ মেহেদি হাসান।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (এডিডি) অংকার বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ আশরাফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্য সহকারী কমিশনার মোঃ মেহেদি।হাসান বলেন, সরকার কৃষি খাতকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন সময় কৃষকদের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকার। এই ধরনের প্রণোদনা কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (এডিডি) অংকার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উন্নত জাতের বীজের মাধ্যমে আউশ ধানের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি সময়মতো সার প্রয়োগ ও সঠিক পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যাতে করে কৃষকরা স্বল্প খরচে বেশি ফলন পেতে পারেন এবং তাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন।
প্রণোদনা পেয়ে কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, বিনামূল্যে বীজ ও সার পাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচ অনেকটাই কমবে এবং তারা উৎসাহের সঙ্গে আউশ ধান আবাদ করতে পারবেন।
কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা দেশের কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে।