বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পাকিস্তানের গ্র্যান্ড মুফতি রফি উসমানি রহ.এর ইন্তেকালে খাগড়াছড়ি ক্বওমী মাদরাসা ও ওলামা ঐক্য পরিষদের শোকপ্রকাশ।

স্টাফ রিপোর্টার ::পাকিস্তানের গ্র্যান্ড মুফতি রফি উসমানি রহ.এর ইন্তেকালে খাগড়াছড়ি ক্বওমী মাদরাসা ও ওলামা ঐক্য পরিষদের শোকপ্রকাশ।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর প্রখ্যাত আলেম ও পাকিস্তানের গ্র্যান্ড মুফতি রফি উসমানি শুক্রবার করাচিতে ৮৬ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ রফি উসমানি। তিনি ছিলেন একজন ধর্মীয় পণ্ডিত, আইনবিদ এবং লেখক। দারুল উলুম করাচির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি দারুল উলূম দেওবন্দ, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় এবং দারুল উলুম করাচির সাবেক ছাত্র ছিলেন।

মুহাম্মদ রফি উসমানি আহকাম-ই-জাকাত, আল-তালিকাত আল-নাফিয়াহ আলা ফাতহ আল মুলহিম, ইসলাম মে আওরাত কি হুকমরানি এবং নাওয়াদির আল-ফিকহসহ বহু বই লিখেছেন।
মরহুম রফি উসমানি দারুল উলূম করাচির প্রতিষ্ঠাতা তিনি দেশটির মুফতি আজম (প্রধান মুফতি) খ্যাত মুফতি মুহাম্মাদ শফি রহ.-এর ছেলে ও পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের শরিয়ত আপিল বিভাগের সাবেক বিচারক ও ইসলামিক পণ্ডিত
মুফতি তাকি উসমানি দাঃবাঃ এর বড় ভাই ছিলেন।

ফিকাহ, হাদিস এবং তাফসিরে তার জ্ঞানের জন্য স্বীকৃত মুফতি রফি উসমানি উর্দুতে প্রচুর বইয়ের পাশাপাশি আরবি ভাষায়ও উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।

গ্র্যান্ড মুফতির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে খাগড়াছড়ি ক্বওমী মাদরাসা ও ওলামা ঐক্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতী রবিউল ইসলাম শামীম বলেন, ‘মুফতি রফি উসমানী রহ. ফিকহ, হাদীস ও তাফসির ক্ষেত্রে মূল্যবান সেবা প্রদান করেছেন। তার ধর্মীয় ও একাডেমিক সেবা এবং ধর্মীয় জ্ঞানের প্রচারের জন্য সেবা অনুকরণীয় এবং তার ধর্মীয় সেবা সর্বদা স্মরণীয় থাকবে। শুধু পাকিস্তানে নয় পুরো মুসলিম বিশ্বে তার ব্যক্তিত্বের প্রভাব রয়েছে। আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন এবং তার স্বজনদের ধৈর্যধারণের শক্তি দিন। আমিন।

থেকে আরও পড়ুন