
মোক্তার হোসেন, খুলনা জেলা প্রতিনিধি।
খুলনার কয়রা উপজেলার ঘুগরাকাটি ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) ২০২৫ উদযাপিত হয়েছে।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় মাদ্রাসার অডিটোরিয়াম হলে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত এর মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
মাওলানা সুজাউদ্দীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী।
আইসিটি শিক্ষক আক্তারুজ্জামান এর সঞ্চালনায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান আলোচক ঘুগরাকাটি ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার আলোর পথ প্রদর্শক ও উপাধ্যক্ষ মাওলানা গোলাম সরোয়ার, সহকারী অধ্যাপক এমফিল গবেষক মাওঃ আশরাফুল আলম, সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আরাফাত, সহকারী অধ্যাপক মোঃ শরিফুল আলম, সহকারী অধ্যাপক (বাংলা) জি এম ফরিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আমির মাওঃ রফিকুল ইসলাম, মুফতি মোঃ আফতাবুজ্জামান, প্রভাষক মাওঃ মোঃ গোলাম মোর্তজা, মাওঃ নূর আলম , প্রভাষক মোহাঃ দুরুল হোদা,প্রভাষক মাওঃ মিনারুল ইসলাম,
সিনিয়র শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান, মাহমুদুর রহমান,জুনিঃ মৌলভী মোঃ ওয়ালীউল্ল্যাহ, জুনিঃ শিক্ষক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, ক্বারী আলি হোসেন, প্রভাষক সৈকত, মাওঃ সাইফুল ইসলাম, প্রভাষক মোঃ আব্দুর রহমান, কৃষি শিক্ষক আকাশ মিয়া মোজাহিদুল ইসলাম সহ শিক্ষক- কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক বলেন,আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ছিলেন মহাবিশ্বের মহামানব। তিনি ছিলেন একজন দার্শনিক, পথ প্রদর্শক, বিজ্ঞানী, আলোর দিশারী। সিরাতুন্নবী (সঃ) বলতে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) সমগ্র ৬৩ বছরের জীবনী, তাঁর রাজনৈতিক, সামাজিক, রাষ্ট্র পরিচালনা করা।
তিনি আরও বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর আদর্শ ও নির্দেশিত দেখানো পথে চলতে পারি এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারি তবে আমরা উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের সাক্ষর রাখতে পারব। মূত্যুর পরও আমাদের জীবন সুখময় ও কল্যানকর হবে।
দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও দো’য়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে ফাজিল শ্রেণী পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জীবনীর উপর বক্তৃতা, গজল ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
