
নাজমুস সাকিব কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার শোলারকোলা এলাকায় পাকা রাস্তার পাশ থেকে প্রকাশ্যে ছাগল চুরি করে পালানোর সময় ৫ জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয় লোকজন। তবে আরও দুইজন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
গত ৬ আগস্ট, দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে ভুক্তভোগী আলভীর শেখ (৪৩), পিতা- হানেফ শেখ, মাতা- ব্রাকেরা বেগম, শোলারকোলা, কচুয়া, বাগেরহাট।
আলভীর শেখের স্ত্রী শামিনুর বেগম ওইদিন দুপুরে ছাগল চরাতে পাকা রাস্তার পাশে যান এবং কিছু সময় পর ছাগল রেখে বাড়িতে ফিরে আসেন। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় দোকানদার খাদিজা বেগম (৫৫) ও তার ছেলে জাহিদুল শেখ (৩৭) চোরদের ছাগল তুলতে দেখে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, চোরেরা একটি কালো রঙের ছাগল (বয়স আনুমানিক ৫ বছর, ওজন ১২ কেজি, মূল্য আনুমানিক ১৪,০০০ (হাজার টাকা) এবং একটি সাদা বকরি (বয়স আনুমানিক ৩ বছর, ওজন ১৩ কেজি, মূল্য আনুমানিক ১৫, ০০০(হাজার টাকা) নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল।
স্থানীয়রা ধাওয়া করে ছাগলসহ চোরদের বহনকারী অটো রিকশা সহ ৫ জনকে আটকে রেখে কচুয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এবং ছাগলের মালিক বাদি হয়ে, মীর কাইয়ুম হাসান সুমন (৩০), পিতা: মৃত মীর জাহিদ হাসান, সাং: নোনাডাঙ্গা, মোঃ রাজু শেখ (৩২), পিতা: মৃত ইন্নবাজ শেখ, সাং: সালতলা,মোঃ রাতুল শেখ (২৬), পিতা: খোকন শেখ, সাং: সালতলা,সামিউল আজিম শ্রাবণ ও আভাশ (২৫), পিতা: মোঃ সামাদ শেখ, সাং: নোনাডাঙ্গা,শেখ ইমন (১৯), পিতা: ইমরান শেখের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
এছাড়াও চুরির সহায়তায় ব্যবহৃত অটোর চালক মোঃ ইমদাদ শেখ-এর নামও উঠে এসেছে।
তবে অভিযুক্ত বাধন (২২) ও সাকিব (২৪) পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা তারা যথাক্রমে লাউপালা ও পার্টপালা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খান বলেন, উদ্ধারকৃত ছাগল দুটি তার মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের পুলিশ প্রটোকলের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
