
আবুল হোসেন রিপন, গুইমারা, খাগড়াছড়ি
৮
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির গুইমারায় স্বাধীনতার ঘোষক,বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় থাকাকালীন বিএনপি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।
প্রতি বছর ৩০ মে দিনটি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী হিসেবে পালন করে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠন।
দিনটি উপলক্ষ্যে ৩০মে শুক্রবার সকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগের সভাপতিত্বে বিএনপির দলীয় অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বৃক্ষরোপন কর্মসূচী, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন গুইমারা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারন সম্পাদক মাহবুব আলি, সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী ডালিম, দপ্তর সম্পাদক পিন্টু ডালী সহ সিনিয়র নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন অংগ ও সহযোগীসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া গনতন্ত্রের পুনরুদ্ধার, খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেন। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। দেশকে যখন তিনি সামনের দিকে নিয়ে চলতে শুরু করেন সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে শুরু হয় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র।
১৯৮১ সালের ২৯ মে তিনি এক সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গভীর রাতে একদল স্বাধীনতা বিরোধী সেনাসদস্যের হাতে তিনি শহীদ হন।
