
টি আই মাহামুদ, আলীকদম, বান্দরবান
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলাকে শিক্ষা ও সেবা নগরী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নিম্নোক্ত ৩০টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য নির্বাহী আদেশ প্রার্থনা করেছেন “গ্রীন ইনোভেশন ভলেন্টিয়ার্স ” এর আহ্বায়ক তরুণ সমাজ সেবক মহিউদ্দিন বন্ধু।
বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম বিভাগের মাধ্যমে এবং সরাসরি প্রধান উপদেষ্টা ও মন্ত্রী পরিষদ বিভাগেও এ আবেদন পাঠানো হয়।
গতকাল ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ইং তারিখে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস’র দপ্তরে উক্ত প্রস্তাবের প্রদান করেন মহিউদ্দিন বন্ধু।
নিন্মে তার হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
বরাবর,
মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
দৃষ্টি আকর্ষণ: মাননীয় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মাধ্যম: মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম বিভাগ।
বিষয় :বান্দরবানের আলীকদম উপজেলাকে শিক্ষা ও সেবা নগরী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নিম্নোক্ত ৩০টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য নির্বাহী আদেশ প্রার্থনা।
মান্যবর,
আসসালামু আলাইকুম। বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে আর্জি পেশ করছি যে, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা একটি ভৌগোলিক ও আর্থ-সামাজিক সম্ভাবনাময় অঞ্চল। স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, এবং শিক্ষার্থীদের সেবামূলক দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে আলীকদম উপজেলাকে “শিক্ষা ও সেবা নগরী”ঘোষণা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। আপনি নির্বাহী আদেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে স্থানীয় জনগণের আর্থিক ও সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত হবে এবং এটি দেশের উন্নয়নের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হয়ে থাকবে।
১. আলীকদম উপজেলায় দ্রুত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত -২ (আলীকদম, থানচি,নাইক্ষ্যংছড়ি) অথবা “সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত” (আলীকদম চৌকি) কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা।
নোট- দীর্ঘ দূরত্বের কারণে জনগণ হয়রানি এবং যাতায়াত সমস্যা নিরসন হবে। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত কার্যকর হবে।
২. আলীকদমে দেশের সর্ববৃহৎ সরকারি প্রবীণসেবা (প্রবীণ) কেন্দ্র ,মমতা (প্রতিবন্ধী) কেন্দ্র এবং মাতৃছায়া (এতিম অসহায় শিশু) কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা।
নোট- দারিদ্র্য ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়/মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পার্ট টাইম জব এবং ইন্টার্নীর সুযোগ থাকবে। এখানে ৬০% স্টুডেন্ট পার্টটাইম এবং ইন্টার্ন করবেন আর বাকিগুলো স্থায়ী নিয়োগ থাকবে। এতে শিক্ষার্থীরা মানবিক মানুষ হিসেবে তৈরি হবে এবং তাদের অর্থের ব্যবস্থা হবে। সরকারের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী থেকে ১% বেতন কর্তনের বিষয়টি সম্মতিক্রমে বিবেচনা করা যেতে পারে। এবং অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। (কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত কার্যক্রমকে নমুনা হিসেবে নিয়ে যাচাই করে একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা কাঠামো তৈরি করা যেতে পারে। আলীকদমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীবৃন্দ উক্ত কার্যক্রমে পার্ট টাইম জব এবং ইন্টার্নী করতে পারবে।
বিশেষ নোট-দেশের প্রতিটি থানা থেকে ভিক্ষুকমুক্ত সংগ্রহ করে উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ হতে প্রেরণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পরবর্তীতে কেউ ভিক্ষা করলে তাকে জেলখানায় প্রেরণ ব্যবস্থা করা। বিশেষ সমস্যা বা সহযোগিতা প্রয়োজন হলে থানায় লিখিত আবেদন জানাবে। থানা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করে দিবে।কিন্তু ভিক্ষা করা যাবে না। সারাদেশের জনগণকে সামাজিক দায়বদ্ধতা ডোনেশন অর্থাৎ উক্ত কার্যক্রম গুলোতে নিয়মিত ডোনেশনে উদ্বুদ্ধ ও গুরুত্ব বুঝানো ।নিয়মিত সামাজিক দায়বদ্ধতা ডোনেশন কৃত ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করা পুরস্কৃত করা।
৩. আলীকদম পার্শ্ববর্তী থানচি উপজেলাতে সহমর্মী (হিজড়া) শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
নোট-হিজড়া সম্প্রদায়কে শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসেবে তৈরি করা যেতে পারে। এদের জেলখানা দায়িত্ব, ট্রাফিক পুলিশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পুলিশ, আনসার, কুটির শিল্প, হস্তশিল্প ও অন্যান্য কাজের সুযোগ করে দেয়া যেতে পারে।
৪. আলীকদমে প্রতিবন্ধীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ (আবাসিক) প্রতিষ্ঠা।
৫. আলীকদমে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স কলেজ (আবাসিক) প্রতিষ্ঠা।
৬. আলীকদমে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (আবাসিক)প্রতিষ্ঠা ।
৭. আলীকদম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে আলীকদম সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও হোম ইকোনমিক্স কলেজে (আবাসিক) উন্নতিকরণ।
নোট- এখানে থাকবে বিশেষ কোর্স, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন বিজনেস, ডিজিটাল মার্কেটিং,কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, কুটির শিল্প, টেক্সটাইল, ল্যাংগুয়েজ এন্ড কালচার, ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজিং, স্বাস্থ্য সেবা, ফ্যামিলি ম্যানেজমেন্ট, খাদ্য পুষ্টি, অর্থনৈতিক পরিচালনা, পারিবারিক কৃষি ও ব্যবসা, ফ্যামিলি ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস এবং হোম রিলেটেড অন্যান্য বিষয়।
৮. আলীকদম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে আলীকদম সরকারি পলিটেকনিকেল আলিয়া মাদ্রাসা উন্নতিকরণ এবং ছেলে মেয়ে পৃথক আবাসিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থা করা।
নোট- ছেলে মেয়েদের জন্য দুটি পৃথক আবাসিক ক্যাম্পাসের ব্যবস্থা করা এবং সারা দেশ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা এখানে ইসলামিক এবং কারিগরি শিক্ষার সুযোগ পাবে।
৯. আলীকদম কলেজে অনার্স ,মাস্টার্স চালু এবং জাতীয়করণ ।
১০. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণা কেন্দ্র কে পাহাড় ও প্রকৃতির আলীকদমে স্থানান্তর করা।
১১. বিআরটিসি সার্ভিস এবং পর্যটন বাস (চকরিয়া-লামা-আলীকদম-নাইক্ষ্যংছড়ি- কক্সবাজার) চালু।
নোট- অন্যান্য প্রাইভেট কোম্পানিকে উদ্বুদ্ধ করা,
১২. পর্যটন ট্রেন(কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়ি-আলীকদম- লামা- চকরিয়া) চালু।
নোট- প্রাথমিকভাবে ১. পর্যটন ট্রেন শর্ট সার্ভিস কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়ি-আলীকদম- লামা- চকরিয়া । ২. পর্যটন লং সার্ভিস কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়ি-আলীকদম- লামা- বান্দরবান – রাঙ্গামাটি -খাগড়াছড়ি- চট্টগ্রাম চালু করা যেতে পারে। এই ট্রেন পর্যটনের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ট্রেন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। আমাদের কৃষি পণ্য সরবরাহ করে সহযোগিতা করবেন। প্রস্তাবিত আলীকদম স্থলবন্দর মালামাল পরিবহন করা যাবে।
১৩. আলীকদম উপজেলা সংলগ্ন মায়ানমার সীমান্তে (কুরুপপাতা/পোয়ামুহরি) স্থলবন্দর এবং কাস্টম প্রতিষ্ঠা।
ব্যাখ্যা – পর্যটন বাণিজ্যিক বগি ব্যবহার করে বন্দরের মালামাল পরিবহন করা যাবে। বর্তমান সরকারকে টেক্সট না দিয়ে নিয়মিত চোরাচালান হচ্ছে। তাই দ্রুত বন্দর এবং কাস্টমের কাজ শুরু করা।
১৪. আলীকদমে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ক্যাম্প ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিশেষ শাখা (NCCU/DNC)চালু।
নোট- মাদকের আগ্রাসন ও অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন প্রস্তাবিত র্যাব -১৬ অথবা র্যাব -১৫-এর সিপিএসসি ক্যাম্প আলীকদমে প্রতিষ্ঠা করা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ শাখা (NCCU/DNC) চালু করা।
১৫. আলীকদম থানা সংলগ্ন আলীকদম সার্কেল (ASP) কার্যালয় প্রতিষ্ঠা (আলীকদম, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি)।
নোট- তিন উপজেলার আইন-শৃঙ্খলার লক্ষ্যে সহযোগিতার লক্ষ্যে আলীকদম সার্কেল (ASP) কার্যালয় প্রতিষ্ঠা (আলীকদম, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি)।
১৬. আলীকদম উপজেলা সদর কে পৌরসভা উন্নতিকরণ ।
১৭. বান্দরবান দুইটি সংসদীয় আসনে ( প্রস্তাবিত বান্দরবান ২- আলীকদম, লামা,প্রস্তাবিত সরই/গজালিয়া,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা) উন্নতিকরণ।
১৮. জনস্বার্থে পরীক্ষামূলকভাবে আলীকমে অতিরিক্ত/সাব ডিসি অফিস (আলীকদম, লামা, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিষ্ঠা।
নোট- অতিরিক্ত/সাব ডিসি অফিসে জেলা প্রশাসক দশদিন অন্তর অন্তর কমপক্ষে একবার হলেও অফিস করবে। এবং এখানে একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাব ডিসি অফিস) নিয়োগ প্রদান।
১৯. আলীকমে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন স্টেডিয়াম এবং প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ।
নোট- পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংগঠনের সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে ইন্টারন্যাশনাল শপিং কমপ্লেক্স, হেলিপ্যাড, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টার, আবাসিক প্রকল্প, উন্নত মানের হোটেল, যৌথ বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা যেতে পারে। (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ এর সরকারের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী , অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের কাজে লাগানো যেতে পারে)
বিশেষ নোট: ব্যবসায়িক কার্যক্রমে লাভের ৫ শতাংশ বান্দরবানের স্থায়ী বাসিন্দাদের একাউন্টে প্রেরণ। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে- হেলিপ্যাড, বাসে (ঢাকা/কক্সবাজার থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি অথবা চকরিয়া) করে আলীকদম আসা সহজ। স্টেডিয়াম এমনভাবে তৈরি করা হোক, আন্তর্জাতিক কোন আসনের ভেন্যু দেওয়া যায়। যেমন, মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম (যুক্তরাষ্ট্র), ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২২ স্টেডিয়াম (কাতার), ডাকার ডায়ামনিয়াডিও স্পোর্টস সিটি (সেনেগাল), ট্রেন্ট ব্রিজ স্টেডিয়াম (ইংল্যান্ড), গোল্ডেন ১ সেন্টার (যুক্তরাষ্ট্র), নেপালের সিন্ধুলি স্টেডিয়াম (নেপাল),
২০. সর্বনিম্ন মূল্যে শিক্ষক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বৃহৎ পরিসরে কোয়াটার/আবাসিক প্রকল্প বাস্তবায়ন।
২১. আলীকদম থানচি রোড সংলগ্ন উপযুক্ত জায়গায় সর্ববৃহৎ উন্মুক্ত কারাগার নির্মাণ।
নোট- ‘মালয়েশিয়ার কমিউনিটি রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রামের (সিআরপি) প্রতিষ্ঠিত কারাগারের মতো প্রতিষ্ঠা করা। কক্সবাজারে জেলার উখিয়া উপজেলায় ১৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ’উক্ত প্রজেকট বাতিল করে আলীকদম থানচি পয়েন্টে স্থানান্তর। অধিগ্রহণ কৃত জায়গায় ইন্টারন্যাশনাল ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড কালচার ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ(আবাসিক) প্রতিষ্ঠা করা। সারা দেশের সকল জেলখানার আসামিদের অর্থাৎ যাদেরকে শাস্তির রায় দিয়ে (এক মাসের অধিক) দেওয়া হয়েছে তাদের এখানে স্থানান্তর করা। উক্ত কারাগার কতৃপক্ষ প্রাইভেট কোম্পানি এবং অন্যান্য কোম্পানি সাথে যৌথভাবে প্রোডাক্ট উৎপাদন করবে। অর্থাৎ কারাগারের আসামিদের দেশের অর্থনীতি উন্নয়নে কাজে লাগাবে। পাশাপাশি তাদেরকে শিক্ষা এবং নৈতিক কার্যক্রম জোরালোভাবে প্রশিক্ষিত এবং উদ্বুদ্ধ করবে। এখানে বিশেষ মাদ্রাসা এবং স্কুল শিক্ষা কেন্দ্র তৈরি করা উক্ত শিক্ষা কেন্দ্র অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত হয়ে এদেরকে শিক্ষা কার্যক্রমের সহযোগিতা করবেন। বিশেষ নোট, এখানে দেশপ্রেমিকদেরকে নিয়ে বিশেষ টিম গঠন করা যেতে পারে। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের নির্মূলে কাজ করবে এবং দেশরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
২২. উখিয়া অধিগ্রহণকৃত জায়গায় ইন্টারন্যাশনাল ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড কালচার ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ(আবাসিক)।
নোট- কক্সবাজারে জেলার উখিয়া উপজেলায় ১৬০ একর জমি জেলখানার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অধিগ্রহণ কৃত জায়গায় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। কেউ বিদেশে কাজ করতে গেলে এইখান থেকে কয়েক মাসের বিশেষ কোর্স নিয়ে ভাষা ও সংস্কৃতি শিখে বিদেশে যেতে পারবে। এখানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ এবং পড়তে আসার জন্য প্রচারণা করা।বিশেষ নোট- উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন (পররাষ্ট্র, শিক্ষা, প্রবাসী কল্যান, শ্রম ও কর্মসংস্থান) মন্ত্রনালয় এবং ইউনেস্কো ও সংশ্লিষ্ট ভাষা সংক্রান্ত দেশের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।
২৩. কক্সবাজার এবং বান্দরবান কে পরিকল্পিত পর্যটন ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।
২৪. আলীকদমে কোলস্টোরেজ নির্মাণ।
নোট- খাদ্য সংরক্ষণের জন্য।
২৫. কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি জেলা কে পর্যটন, সামাজিক বনায়ন এবং খাদ্য উৎপাদন অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা এবং ব্যবস্থার গ্রহণ করা।
নোট- পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারে দেশের অর্থনৈতিক এবং খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বান্দরবান এবং কক্সবাজার সহ রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি অঞ্চলে সামাজিক বনায়ন বৃদ্ধি করা। জেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ সমন্বিতভাবে উক্ত কার্যক্রম সহযোগিতা করবেন। ধরুন ৫০০ একর আনারস বাগান করা হয়েছে, ৫০০ একর পেঁপে বাগান, ৫০০ একর কলা বাগান, ৫০০ একর খেজুর বাগান, এদের মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। খাদ্য চাহিদা পূরণ হবে। এবং তামাক চাষ নিষিদ্ধ করে এইসব চাষ উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সরকার খালি জায়গা গুলো ন্যায্য মূল্য লীজ দিবে। উক্ত ব্যবসা লাভের ৫ শতাংশ উক্ত জেলার জনগণের একাউন্টে অটো সার্ভিস হবে। ৫ শতাংশ লাভের শর্তটি শুধু (বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, ,খাগড়াছড়ি) জেলাগুলোর প্রজোয্য।
২৬. প্রশাসন, যৌথ বাহিনী, জনগণ ও শিক্ষার্থীরা মিলে তিন মাসের মধ্যে সারা বাংলাদেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য ব্যবস্থাপনা দাঁড় করানোর উদ্যোগ গ্রহণ।
নোট – পরীক্ষামূলক ভাবে আলীকদম উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। উক্ত বিষয়ে পরিবেশবান্ধব প্লান প্রজেক্ট নামে একটি প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে
২৭.আলীকমে আন্তর্জাতিক মানসম্মত সেন্ট্রাল মডেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ।
নোট – দেশের মানুষ এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নেতা নেত্রী, সিঙ্গাপুর বা বিদেশে না গিয়ে এখানে এসে চিকিৎসা করবে। এই হাসপাতালটাকে সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার , অন্যান্য উন্নত হাসপাতালের মতন করে গড়ে তোলা। এই হাসপাতালে কর্মকর্তা কর্মচারীর ক্ষেত্রে সেনা কল্যাণের মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনী কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে হাসপাতালের জন্য আরো নতুন ক্যাম্পাস নির্ধারণ করবে। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে এখানে আসা সহজ হবে। আর ট্রেন এবং বাস থাকবে। আর প্রকৃতিক পরিবেশের মধ্যে একটি সুন্দর মানসিক তৃপ্তিময় পরিবেশ পাবে।এটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে করা যেতে পারে
২৮. ওয়ান কার্ড অল সার্ভিস (অর্থাৎ এনআইডি কার্ড/নাম্বার)সার্ভিস চালু।
নোট -থানা, ফরম ফিলাপ, অন্যান্য প্রয়োজনে ইনফরমেশন লিখা, টিসিবি কার্ড, কৃষি কার্ড অর্থাৎ সকল কিছু ওয়ান কার্ট অল সার্ভিস এর মধ্যে থাকবে। আলাদা আলাদা এত কার্ড প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ ওয়ান কার্ড অল সার্ভিস মাধ্যমে সরকারের সকল সেবা পাবে আলাদাভাবে কোন ফর্ম এবং কোন কিছু করার প্রয়োজন থাকবে না। উক্ত কার্ড আলোকে সকল ডিপার্টমেন্ট তথ্য এবং ডাটা এন্ট্রি করবে। পুলিশ এবং অন্যান্য সকল ডিপার্টমেন্ট।
২৯. ২ডি স্পেশাল পলিসি (ফ্রি শিক্ষা ,ফ্রি চিকিৎসা) আলীকদম পরীক্ষামূলক চালু এবং সারা দেশে বাস্তবায়ন।
৩০. শিক্ষা উন্নতিকরণ বিষয়ক ১২ টি স্পেশাল পলিসি বাস্তবায়ন।
ক) নতুন শিক্ষা স্তর ও পরীক্ষা পদ্ধতির পুনর্বিন্যাস:শিক্ষা স্তর:
১. প্রাথমিক (১ম-৬ষ্ঠ শ্রেণি) – প্রাইমারি স্কুল/মাদ্রাসা।
২. মাধ্যমিক (৭ম-১২শ শ্রেণি) – হাই স্কুল/মাদ্রাসা।
৩. উচ্চ শিক্ষা – ডিগ্রী, অনার্স, মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি এবং স্পেশাল কোর্স।
পরীক্ষা ব্যবস্থা:
১. ১ম-৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত PSC পরীক্ষা।
২. ৭ম-৯ম শ্রেণি পর্যন্ত SSC পরীক্ষা।
৩. ১০ম-১২শ শ্রেণি পর্যন্ত HSC পরীক্ষা।
খ) প্রতিটি থানায় তিনস্তরে (প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ শিক্ষা) কমপক্ষে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে(ছেলে এবং মেয়ে) নৈশ ক্লাস চালু করা ।
নোট- উক্ত নৈশ্য শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষার্থীর মত সকল চাকরি পরীক্ষা এবং সম্মান অধিকারী হবে। পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলে নাইট ও অনলাইন শিফট ক্লাসে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে।
গ) শিক্ষা কমিশন গঠন এবং বৈশ্বিক শিক্ষা নগরীর পরিকল্পনা গ্রহণ:
বিশ্বের উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার সাফল্যগুলো বিশ্লেষণ করে সেগুলো বাংলাদেশের পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক শিক্ষার রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য একটি বিশেষ শিক্ষা কমিশন গঠন করে নিয়মিত গবেষণা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত।
রেফারেন্স: ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা তাদের উদ্ভাবনী এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
ঘ) এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম চালু:
বিশ্ববিদ্যালয় ও মাধ্যমিক শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত পাঠ সম্পন্নের সুযোগ দিতে এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম চালু করা যেতে পারে। অনার্স, মাস্টার্স, এবং পিএইচডি পর্যায়ে এক্সট্রা ক্রেডিট নিয়ে শিক্ষার্থীরা কম সময়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করতে পারবে। একইভাবে SSC, HSC ও অন্যান্য পর্যায়ে এই প্রোগ্রাম চালু করা যেতে পারে। জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেন্ট্রাল এক্সিলেন্স বোর্ড গঠন করে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
রেফারেন্স: জার্মানির এক্সিলেন্স ইনিশিয়েটিভ প্রোগ্রাম উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে মেধাবীদের দ্রুত উন্নয়ন এবং উচ্চমানের গবেষণার ক্ষেত্রে সফল প্রমাণিত হয়েছে।
ঙ) শিক্ষার্থীদের পার্টটাইম জব/ইন্টার্নি/হোম ইকোনমিক্স ব্যবস্থা চালু করা।
নোট-কিছু বিভাগে পরীক্ষামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য তিন দিন ক্লাস এবং তিন দিন পার্টটাইম কাজের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটি তাদের আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। উদাহরণস্বরূপ, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ পদ্ধতিতে সফল।
চ)সরকারি ও বেসরকারি খাতে শিক্ষার্থীদের পার্ট টাইম জব /ইন্টারনি/হোম ইকোনমিক্স সুবিধা চালু।
শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাতে ২০% কাজ সংরক্ষণের প্রস্তাব করা যেতে পারে। এটি তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম কাজ ও ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়ক হবে। প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলো এই উদ্যোগ কার্যকর করলে সরকার থেকে বিশেষ সুবিধা পেতে পারে। একটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট বা অ্যাপসের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব।
ছ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ডিজিটালাইজেশন।
নোট – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ডিজিটালাইজ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে, যা ভর্তি, রেজাল্ট, পেমেন্টসহ সকল প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করবে। অনার্স, মাস্টার্স এবং পিএইচডি সনদের কেন্দ্রীয় যাচাইয়ের জন্য UGC কর্তৃক একটি ওয়েবসাইট এবং UNESCO-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সনদ যাচাইয়ের প্রস্তাব করা যেতে পারে। এস্তোনিয়ার মতো উদাহরণ ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।
জ)শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ও দক্ষতা উন্নয়ন।
নোট শিক্ষক নিয়োগে মেধা, সততা এবং দক্ষতার ভিত্তিতে প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। নিয়মিত দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে এবং অদক্ষ প্রমাণিত হলে পুনরায় প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা উচিত। অযোগ্য প্রমাণিত হলে তিন মাসের বেতন দিয়ে স্থানীয় সরকার কর্তৃক বহিষ্কার করা যেতে পারে। সিঙ্গাপুরের মতো কঠোর নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং দক্ষতা উন্নয়নের কার্যক্রম শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
ঝ)শিক্ষকদের রাজনৈতিক মুক্ত এবং রাষ্ট্রের উপদেষ্টা হিসেবে ভূমিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন।
শিক্ষকদের রাজনৈতিক দলে অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে একমত হওয়া উচিত, কারণ তারা জাতির পথপ্রদর্শক এবং রাষ্ট্রের উপদেষ্টা। শিক্ষকদের তাদের দায়িত্ব পালনে কোনো দলের প্রভাবমুক্ত হয়ে, শিক্ষার উন্নয়নে এককভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষকরা জাতির সার্বজনীন পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করবেন, এবং তাঁদের অবস্থান হবে নিরপেক্ষ, যার মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে।
বিশেষ নোট – শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দলের রাজনীতি নিরুৎসাহিত করা এবং কোন শিক্ষক রাজনীতি করতে চাইলে শিক্ষকতা পেশা থেকে ইস্তিফা দিয়ে রাজনীতি করতে পারবে।
ঞ) শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রদের রাজনৈতিক কার্যক্রম।
বাংলাদেশে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক কার্যক্রমকে সুস্থ ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সরকার সকল রাজনৈতিক দলকে অনুরোধ করবে যাতে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক কমিটি ঘোষণা নিষিদ্ধ করে এবং রাজনীতি শুধুমাত্র ক্যাম্পাসের বাইরে, কেন্দ্রীয় জেলা বা অঞ্চল ভিত্তিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ চালু করার প্রস্তাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবে এবং রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত থাকবে। ছাত্র সংসদ নির্বাচন প্রতি বছর জানুয়ারির মধ্যে শেষ করা হবে, এবং কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যরা ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না। ছাত্র সংসদের সদস্যরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সামাজিক সংগঠনগুলোর বিকাশে উৎসাহিত করা হবে, যেমন বিএনসিসি, রোভার, ক্যারিয়ার ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, গবেষণা ক্লাব ইত্যাদি। এই উদ্যোগগুলো শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরে রেখে শিক্ষার উন্নয়নে সহায়ক হবে।
রেফারেন্স: অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ব্যবস্থার মতো, যেখানে রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরে শিক্ষার উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চ) কলেজগুলো সমন্বয় করে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় গঠন।
নোট -জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য কলেজগুলোকে দুই-তিনটি জেলার সমন্বয়ে
একটি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গঠন করা যেতে পারে। বিশেষায়িত কলেজগুলো এই গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়/সংশ্লিষ্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অধীনে পরিচালিত হবে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বদলে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন করা যেতে পারে, যেমন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ক্যাম্পাস বান্দরবান আলীকদম স্থাপন করা যেতে পারে।এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের চাপ কমানো সম্ভব হবে।
ছ)‘টোটাল ফিটনেস ডিফেন্স স্পেশাল ট্রেনিং’ প্রোগ্রাম চালু।
‘টোটাল ফিটনেস ডিফেন্স স্পেশাল ট্রেনিং’ প্রোগ্রাম চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক, মানসিক ও নৈতিকভাবে দক্ষ করে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এটি সশস্ত্র বাহিনী ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করতে পারে।বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর।SSC/দাখিল পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীদের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে তিন মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ চালু করা যেতে পারে, যেখানে দেশপ্রেম, শারীরিক ফিটনেস, এবং স্কিল ডেভেলপমেন্টের উপর জোর দেওয়া হবে। যারা ভালো পারফর্ম করবে, তাদের সশস্ত্র বাহিনীতে সরাসরি মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ থাকবে। পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক, মেয়েদের জন্য ঐচ্ছিক,
রেফারেন্স: বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম রয়েছে এমন দেশগুলো হল
তুরস্ক,দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, গ্রিস, কুবেক (কানাডা), ফিনল্যান্ড, রাশিয়া, বেলারুশ, জর্জিয়া, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, সোফিয়া (বুলগেরিয়া), হাঙ্গেরি, আর্মেনিয়া, মাল্টা, ইরান,ইসরায়েল
অতএব, দেশ এবং বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় উন্নয়নে উক্ত ,৩০ টি প্রস্তাব নির্বাহী আদেশে বাস্তবায়নের জন্য আপনার সদয় আর্জি কামনা করছি।
বিনীত,
মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু)
উদ্যোক্তা ও আহ্বায়ক, গ্রীন ইনোভেশন ভলেন্টিয়ার্স,
সাবেক ক্যাডেট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কন্টিনজেন্ট, রমনা রেজিমেন্ট।
মোবাইল:01571571441,ইমেইল:m.mohiuddin.b@hotmail.com
চিঠি প্রেরণ ঠিকানা: কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, কাজী বাড়ি, কাজীর দেউড়ি, চট্টগ্রাম।
