
খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধিঃ-
খুলনার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে নাঈম সানা (১৯) নামে কলেজ ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। সে খুলনার আযম খান কমার্স কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শরাফপুর বাজারে শাহিন অটো রাইস মিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নাঈমের বাবা খোরদেল সানা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। তবে কেউ গ্রেফতার হয়নি।
জানা যায়, উপজেলার মৈখালী গ্রামের খোরদেল সানার মেজ ছেলে নাঈম সানা ও তার চাচাতো ভাই নাসিম সানা (১৯) সোমবার সকাল ৯টার দিকে নিজ মোটরসাইকেল (জিপিএক্স-ডিমন ১৬৫ সিসি) যোগে বাড়ি থেকে ঘুরতে বের হয়। তারা শরাফপুর খেয়া পার হয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলাধীন গরিয়ারডাঙ্গা কলেজের আশপাশ দিয়ে বেশ কিছু সময় ঘোরাঘুরি করে। এমনকি ওই এলাকায় একটি মেয়ের সাথে দুপুরে খাবারও খেয়েছে বলে জানা গেছে। এরপর বিকেলে তারা ডুমুরিয়া উপজেলার ধানিবুনিয়া ও বকুলতলা এলাকায় কয়েকটি কফি হাউজে সময় কাটায়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শরাফপুর বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। মোটর সাইকেল ড্রাইভিং করছিল নাঈম এবং পেছনে ছিলো নাসিম। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাদের পিছু নেয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে শরাফপুর বাজার সংলগ্ন শাহিনের অটো রাইস মিলের সামনে পৌঁছুলে দুর্বৃত্তরা গুলি করে। এতে নাঈম গুরুতর আহত হয়। নাঈমের পিতা খোরদেল সানা জানান, নাঈম ডান হাতের বগলের নিচে পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয়। তবে তার কারো সাথে শত্রুতা নেই বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে নাঈমের মোটর সাইকেল আরোহী নাসিম জানান, গুলি করার পর দুর্বৃত্তরা ভাইয়ের মৃত্যু নিশ্চিত দেখতে এসে বলে ‘ভুল টার্গেট, সে না চল’। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা জানান, দুর্বৃত্তরা নাঈমকে পিস্তল দিয়ে গুলি করেছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে। তবে প্রেমঘটিত কোনো বিষয়ও থাকতে পারে।
