মোঃ ওসমান গনি ইলি স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার:
পর্যটননগরী কক্সবাজারের যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) দেবদূত মজুমদার। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ট্রাফিক বিভাগ।
কক্সবাজার শহরের কলাতলী মোড়, ডলফিন মোড়, সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবণী পয়েন্ট, হোটেল-মোটেল জোন, বার্মিজ মার্কেট ও বাস টার্মিনাল এলাকায় যানবাহনের চাপ সামাল দেওয়া ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অন্যতম চ্যালেঞ্জ। পর্যটন মৌসুম ও ছুটির দিনে এসব এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) দেবদূত মজুমদারের মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে যানজট নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ দায়িত্বশীল তদারকির গুরুত্ব তুলে ধরে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করার মতো কার্যক্রম সড়ক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
দেবদূত মজুমদার বলেন,
কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটননগরী। এখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটে। তাই সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানজট নিরসন এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। এ লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি পরিবহনচালক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজারের সড়কগুলোকে আরও সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করা সম্ভব।”
এদিকে, কক্সবাজার শহরের যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, নির্ধারিত স্থানে যানবাহন পার্কিং এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকেরা।
কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের বিকাশ এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি ও নাগরিকদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে যানজটের ভোগান্তি কমিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে।